আগুন সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটন করাই হবে অন্যতম কাজ: হাছান
“এদের ব্যাপারে আশা করি আন্তর্জাতিক মহল মুখ খুলবে এবং এই দুষ্কৃতিকারীদের নিবৃত্ত ও নির্মূল করার ক্ষেত্রে তারাও সহযোগিতা করবে।”
আগুন সন্ত্রাসে ভোট উৎসব ম্লান করা যাবে না মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, নির্দেশদাতা সুবেশধারী নেতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজী পুকুর লেনের ওয়াইএনটি সেন্টারে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “যদি আমরা সরকার গঠন করতে পারি, আমাদের প্রধান কিছু কাজের মধ্যে অন্যতম প্রধান হবে আগুন সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটন করা। একটি সভ্য দেশে এসব চলতে দেয়া যায় না।”
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যারা এই নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করছে, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করছে, এদের ব্যাপারে আশা করি আন্তর্জাতিক মহল মুখ খুলবে এবং এই দুষ্কৃতিকারীদের নিবৃত্ত ও নির্মূল করার ক্ষেত্রে তারাও সহযোগিতা করবে।”
শুক্রবার ঢাকার গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনে চার জনের মৃত্যুর পর বিএনপি এ ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেছে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, “সমস্ত ঘটনা ঘটিয়ে অস্বীকার করা বিএনপির অভ্যাস। ইতিপূর্বেও একই এলাকায় ট্রেনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। মা ও শিশুসহ চারজন একসাথে মৃত্যুবরণ করেছে। ওই এলাকায় বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস সাহেবের বাড়ি। এর আগের ঘটনা কার নির্দেশে, কারা করেছে, সবাই গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা স্বীকারোক্তি দিয়েছে।”
আগুন সন্ত্রাসের ঘটনাগুলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঘটানো হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট হচ্ছে, নাশকতা করার পর এগুলোর ছবি তোলা এবং ভিডিও করা হয় এবং সেগুলো লন্ডনে পাঠানো হয়। সেগুলো পাঠালে নাশকতাকারীদের দলে পদোন্নতিসহ নানাভাবে পুরস্কৃত করা হয়। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কাজ হতে পারে না।”
দুষ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।
এই ঘৃণ্য ও নৃশংস কাজগুলো যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে কলম ধরতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানান তিনি।
এসময় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
