পাহাড়তলিতে অভিযান: বস্তায় ‘ব্র্যান্ডের’ নাম, ভেতরে ‘অন্য চাল’
জুনের শুরু থেকে চট্টগ্রামে পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম বাড়তে শুরু করে।
চট্টগ্রামের পাহাড়তলি বাজারে চালের বস্তায় ‘ব্র্যান্ডের’ নাম থাকলেও ভেতরে অন্য চাল ভরে বিক্রি করার প্রমাণ পেয়েছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় পাইকারি চালের বাজারটিতে অভিযানে গিয়ে এ চিত্র পান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ব্র্যান্ডের চালের বস্তার ভিতর নিম্নমানের চাল বিক্রি হচ্ছিল। যেমন- বস্তার গায়ে লেখা এসিআই ব্র্যান্ড। কিন্তু ভিতরে অন্য চাল।
“এরকম প্রায় ৮০০টি এসিআই ব্র্যান্ডের বস্তা পেয়েছি মেসার্স চৌধুরী অ্যান্ড কোং নামের প্রতিষ্ঠানে।”
তিনি বলেন, “নিম্নমানের চাল ভিন্ন ভিন্ন নামের বস্তায় প্যাকেটজাত করা এবং ওজনে কম থাকায় সতর্কতামূলকভাবে ওই প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
জুন মাসের শুরু থেকে চট্টগ্রামের পাইকারি ও খুচরা বাজারে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম বাড়তে শুরু করে। গত এক মাসে কয়েক দফায় বেড়েছে চালের দাম।
ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, “পাহাড়তলি বাজারের পাইকারদের ক্রয় ভাউচার আমরা দেখেছি। তারা জানিয়েছেন নওগাঁ ও দিনাজপুর থেকে তারা চাল কেনেন। সেখানে দাম বাড়ছে।
“মানভেদে প্রতি বস্তায় প্রায় দুইশ থেকে আড়াইশ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে দাম। অভিযান চলাকালে আমরা নওগাঁ ও দিনাজপুরের মিলারদের সঙ্গে কথা বলেছি। মিলাররা জানিয়েছেন, তারা চালের দাম বাড়িয়েছেন।”
মঙ্গলবারের অভিযানে মূল্য তালিকা না থাকায় পাহাড়তলি বাজারের মেসার্স হক রাইস এজেন্সিকে ৮ হাজার টাকা এবং ওজনে কম দেওয়া ও মূল্য তালিকা হালনাগাদ না করায় মেসার্স আদর স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে অংশ নেন ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রানা দেবনাথ ও মো. আনিছুর রহমান।
অভিযানে সহায়তা করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল।
