চট্টগ্রাম বন্দরে দুই বছরে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে ‘রেকর্ড’
“চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে দক্ষ, যোগ্য ও প্রেরণাদায়ী জনবলই একটি আধুনিক বন্দরের মূল শক্তি।”
দুই বছরে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন ২০৮ জনকে নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, যা ‘রেকর্ড সংখ্যক’ বলে দাবি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে চলতি জুলাই মাসের এ পর্যন্ত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার রাতে বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়।
পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে একই তথ্য দেন।
গেল দুই বছরে ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ নিশ্চিত করে ‘রেকর্ড সংখ্যক’ নিয়োগ ও পদোন্নতি কর্মচারীদের ‘মনোবল বৃদ্ধি’ ও দেশের বেকার সমস্যা নিরসনে ‘বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’ বলেও দাবি করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে দেশের ভঙ্গুর পরিস্থিতিতে ২০২৪ সালের ১১ অগাস্ট চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান দায়িত্ব নেওয়ার পরে চট্টগ্রাম বন্দরের গতিশীলতা আনয়ন, কর্মচারীদের মনোবল ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মচারীদের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
“জুলাই আন্দোলন পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক সংস্কার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মেধাভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপের ফলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে।”
বন্দরের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ে বন্দরে নতুন নিয়োগ পান ১৪৪ জন। এই সময়ে পদোন্নতি পান ৭৯৯ জন।
আর ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে চলতি মাসের এ পর্যন্ত নতুন ২০৮ জনকে নিয়োগ এবং ১ হাজার ৪৬৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে দক্ষ, যোগ্য ও প্রেরণাদায়ী জনবলই একটি আধুনিক বন্দরের মূল শক্তি।”
মেধাভিত্তিক নতুন নিয়োগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি হওয়ায় কর্মীদের কর্মোদ্যেম বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন ও বন্দরের কার্যক্রমে অরো গতিশীলতা এসেছে বলেও দাবি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
