প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও ‘ফ্যামিলি কার্ড পাবেন’: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
“ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে ঘুষ টুস দেওয়ার দরকার নাই।”
আগামী চার বছরে দেশের চার কোটি পরিবার ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে তুলে ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমানও এ ‘কার্ড পাবেন’।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তারেক রহমানের সরকার বিএনপির সরকার, জনগণের সরকার। এজন্য ওনার সিগনেচার কিছু প্রজেক্ট আপনাদের জন্য দিয়েছেন।
“সেটা হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। চার কোটি পরিবার, ইউনিভার্সেল। সমস্ত পরিবার আগামী চার বছরের মধ্যে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে ইনশাআল্লাহ।”
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আরও পরিষ্কার করি। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে ঘুষ টুস দেওয়ার দরকার নাই। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। এবং আমার মিসেস, পাপ্পার (বিএনপি নেতা মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা) মিসেসও পাবেন। সিরিয়াসলি বললাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী আমাদের শ্রদ্ধেয় ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন।”
তিনি বলেন, “এটা বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত। কিন্তু প্রথম কারা পাবেন? যারা একদম হতদরিদ্র। এরপরে নিম্নবিত্ত, তারপরে মধ্যবিত্ত, তারপরে উচ্চবিত্ত।
“একদম চার বছরের শেষ মাথায় গিয়ে পাব মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, পাপ্পা, এনামের (সংসদ সদস্য এনামুল হক) বউ, শামীমের (বিএনপি নেতা মাহবুবের রহমান শামীম) বউ এরা। কারণ এটা আমাদের প্রয়োজন নাই। অতএব হতাশ হবেন না।”
‘নতুন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের পাইলট প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয় চলতি বছর ১০ মার্চ।
বাহারচড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহাবুবের রহমান শামীম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক মোহাম্মদ জকরিয়া, চট্টগ্রামের ডিসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো.ইদ্রিস মিয়া।
