২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

চবিতে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের রজত জয়ন্তী উদযাপন

বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন এবং রজত জয়ন্তী উপলক্ষে কাটা হয় ২৫ পাউন্ডের কেক।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Apr 2026, 10:25 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:23 PM

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘রজত জয়ন্তী উৎসব’ উদযাপন হয়েছে।

শুক্রবার সকালে ‘স্মৃতির পাতায় প্রাণের স্পন্দন, পঁচিশের গৌরবে বায়োকেমিস্টদের মেলবন্ধন’ প্রতিপাদ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। পরে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন এবং রজত জয়ন্তী উপলক্ষে কাটা হয় ২৫ পাউন্ডের কেক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আল ফোরকান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতিতে অ্যালামনাইদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে অ্যালামনাইদের আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন বলেন, বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অ্যালামনাইরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদেরও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

উৎসব উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব আবু ছৈয়দ মোহাম্মাদ মুজিব বলেন, বিভাগের অ্যালামনাইরা কোভিড-১৯ মহামারি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। 

তিনি উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম, বিশেষ করে এমফিল ও পিএইচডি ভর্তি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য সেবাগুলো অনলাইনে সহজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিভাগের সভাপতি ও উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক কাঞ্চন চাকমা, অধ্যাপক দ্বৈপায়ন সিকদার, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া, অধ্যাপক চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসানসহ বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা।

উৎসবের অংশ হিসেবে বিভাগের ২৫ বছরের শিক্ষা, গবেষণা ও জাতীয় পর্যায়ে অবদানের নানা দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি প্রদর্শিত হয় বিভাগের অর্জনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রীতি সম্মিলনী।