২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাদাব-সালমানের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে শুরু পিএসএল

পাকিস্তান সুপার লিগের নতুন মৌসুমের শুরুর ম্যাচে বড় রান তাড়ায় শাদাব-সালমানের ঝড়ো জুটিতে ইসলামাবাদের জয়।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Feb 2024, 12:07 PM

Updated : 18 Feb 2024, 12:07 PM

লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে নান্দনিক উদ্বোধনী আয়োজনের পর দারুণ বিনোদনের খোরাক থাকল মাঠের ক্রিকেটেও। সব মিলিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নতুন মৌসুমের শুরুটটা হলো বেশ জমজমাট। গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্সকে ৮ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।

লাহোরে শনিবার শাহিন শাহ আফ্রিদির দলের ১৯৫ রান ১০ বল বাকি থাকতেই টপকে যায় শাদাব খানের দল। ব্যাটে-বলে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন শাদাব।

নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পর দুর্দান্ত ব্যাটিংও উপহার দেন শাদাব। ম্যাচ জেতানো ঝড়ো জুটি গড়ে তোলেন আঘা সালমানকে সঙ্গে নিয়ে।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা লাহোরকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখার জামান। পাওয়ার প্লেতে ৬৬ রান তোলেন দুজন।

সেখানে অবশ্য ফাখার ছিলেন একরকম দর্শক হয়েই। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরই তিনি আউট হয়ে যান ১৩ বলে ১৩ করে। আরেক ওপেনার ফারহানের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে ৫৭।

এরপর তিনে নেমে ৪১ বলে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান রাসি ফন ডার যাসেন। ৩ ছক্কায় ২২ বলে ২৮ করেন আব্দুল্লাহ শফিক। শেষ দিকে ডেভিড ভিসা করেন ৮ বলে ১৪।

৪ ওভারে ৪৫ রানে ২ উইকেট নেন ইংলিশ পেসার টাইমাল মিলস। অধিনায়ক শাদাব ৪ ওভারে কেবল ২৪ রানে নেন ১ উইকেট।

রান তাড়ায় ইসলামাবাদ জবাব দেয় অ্যালেক্স হেলসের ব্যাটে। আরেক ওপেনার কলিন মানরো যদিও ১১ বল খেলে ৫ রানে আউট হয়ে যান। তবে হেলসের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ৫০ রান তুলে ফেলে দল।

হেলস অবশ্য আউট হয়ে যান ২৮ বলে ৩৬ করে।

এরপর আর কোনো উইকেটই হারায়নি ইসলামাবাদ। শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফদের হতাশ করে শাদাব ও সালমানের জুটি দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ করে দেয় ম্যাচ।

গত দুই মৌসুমে রাশিদ খানের বোলিং বড় ভূমিকা রেখেছে লাহোরের সাফল্যে। এবার চোটের কারণে খেলতে পারছেন না আফগান লেগ স্পিন তারকা। প্রথম ম্যাচেই সেই ঘাটতির জায়গা যেন ফুটে উঠল তাদের। ৪ ওভারে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন আফ্রিদি, ৩ ওভারে ৩৮ রানে উইকেটবিহীন রউফ।

৬ চার ও ৫ ছক্কায় ৪১ বলে ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন শাদাব। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় সালমান অপরাজিত থাকেন ৩১ বলে ৬৪ করে। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আসে ৬৭ বলে ১৩৮ রান।