১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ফাহিমের ‘পুরো শরীর বলছিল’ ক‍্যাচ ছুটে যাক

ক‍্যাচ দেওয়ার পরের তীব্র স্নায়ুক্ষয়ী মূহুর্তের বর্ণনা দিলেন পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার।

ফাহিমের ‘পুরো শরীর বলছিল’ ক‍্যাচ ছুটে যাক
পাকিস্তানের জয়ের নায়ক ফাহিম আশরাফ। ছবি: পাকিস্তান ক্রিকেট টিম ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Feb 2026, 08:16 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:53 PM

ডাচ পেসার লগান ফন বিকের ফুল টসে টাইমিং করতে পারলেন না ফাহিম আশরাফ, ক‍্যাচ গেল লং অফে- সেই মুহূর্তে কী ভাবছিলেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার? ম‍্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তীব্র স্নায়ুক্ষয়ী সেই সময়টার বর্ণনা দিলেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম‍্যাচে শনিবার ৩ উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান। সাবেক চ‍্যাম্পিয়নদের জয়ের নায়ক ফাহিম জীবন পান ৭ রানে। শেষ পর্যন্ত ১১ বলে ২৯ রানের দারুণ ক‍্যামিও ইনিংসে ফেরেন দলকে জিতিয়ে।

কলম্বোর সিনহালিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে নেদারল্যান্ডসকে ১৪৭ রানে আটকে রেখে পাকিস্তান জয় পায় ৩ বল বাকি রেখে।

শেষ ২ ওভারে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। ফন বিকের করা ১৯তম ওভারের প্রথম বল ছক্কায় ওড়ান ফাহিম। পরের বলে সীমানায় ক‍্যাচ দিয়েও বেঁচে যান। দুইবার চেষ্টা করেও বল মুঠোয় রাখতে পারেননি মাক্স ও’ডাউড। 

ম‍্যাচ-সেরার পুরস্কার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে এক প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সেই মুহূর্তটায় ফিরে গেলেন ফাহিম।

“ওই অনুভূতি? আমি বাইরে এটা বলে এসেছি। ওই সময়ে শুধু আমার জিহ্বা নয়, শরীরের প্রতিটা অংশ যেন প্রার্থনা করছিল, ক‍্যাচটা ছুটে যাক।”

জীবন পেয়ে ডাচদের মুঠো থেকে ম‍্যাচ বের করে নিয়েছেন ফাহিম। এক সময়ে মনে হচ্ছিল, সহজ জয়ে আসর শুরু করতে যাচ্ছে পাকিস্তান। ১১ ওভার শেষে তাদের রান ছিল ৯৮। ৮ উইকেট নিয়ে তখন প্রয়োজন ছিল ৫৪ বলে মাত্র ৫০ রান। মনে হচ্ছিল, সহজ জয়ের পাশাপাশি রান রেটও বেশ বাড়িয়ে নেবে তারা।

ধসের মধ‍্যে ফাহিম যখন নামেন, তখনও ম‍্যাচ এতটা কঠিন হয়নি। শেষ পর্যন্ত এতটা লড়াই করতে হবে, অনুমানই করতে পারেননি তিনি। 

“আমার কোনো ধারণাই ছিল না যে, এতটা কঠিন হতে যাচ্ছে। আমি যখন ক্রিজে যাই তখনও পরিস্থিতি এতটা গুরুতর ছিল না, তখনও ৪-৫ ওভার বাকি ছিল। কিন্তু কিছু ডট বল গেল, যদিও আমরা চাপ নেইনি। আমরা ভেবেছিলাম, ম‍্যাচ নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে আমাদের কেবল একটি ভালো ওভার প্রয়োজন। সে কারণে আমরা স্নায়ুচাপ ধরে রাখি এবং বিশ্বাস রাখি যে, যদি শেষ বল পর্যন্তও খেলতে হয়, আমরা জিতব।”