৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

হাটনের যে মন্ত্রে বদলে গেছে জিম্বাবুয়ে

ড্রেসিংরুমের পূর্ণ সম্মান অর্জন করেছেন জিম্বাবুয়ের হেড কোচ, জানালেন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Oct 2022, 06:34 PM

Updated : 29 Oct 2022, 06:47 PM

বিশ্বকাপে দারুণ সময় পার করছে জিম্বাবুয়ে। সুপার টুয়েলভের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে ওঠার জোর সম্ভাবনা জাগিয়েছে তারা। গত কয়েক মাস ধরেই চলছে জিম্বাবুয়ের এ জয়যাত্রা। এর পেছনে হেড কোচ ডেভ হাটনের বড় অবদান দেখছেন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। 

গত জুনে নিজ দেশের হেড কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন হাটন। তার অধীনে চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব পেরিয়েছে জিম্বাবুয়ে। পরে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ। 

ধারাবাহিতা বজায় রেখেছে তারা চলতি বিশ্বকাপেও। প্রথম রাউন্ডে স্কটল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভের টিকেট পায় আফ্রিকার দলটি। প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে পেয়েছে স্মরণীয় এক জয়। এর আগে বৃষ্টির কল্যাণে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ থেকেও একটি পয়েন্ট জমা পড়েছে জিম্বাবুয়ের ঝুলিতে। 

ব্রিজবেনে রোববার চেনা প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে আরভিনের দল। এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে হাটনের কোচিং দর্শন নিয়ে কথা জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। 

“ডেভ (হাটন) দায়িত্ব নেওয়ার পর মূলত আমাদের অনুশীলনের ধরন বদলে দিয়েছেন এবং প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ঢুকিয়েছেন। আপনি আমাদের ড্রেসিংরুমে চোখ দিলে দেখতে পাবেন, যখনই তিনি কথা বলেছেন সবাই তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে। সবাই নিজেকে জড়িত রাখছে। সবাই তাকে সম্মান করে।” 

“স্কোয়াডের প্রতিটি খেলোয়াড়ের মানসিকতা বদলে দিয়েছেন তিনি। পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সবাই এ নিশ্চয়তা পাচ্ছে যে, ডেভ আমাদের জন্য যা করছে কাজে দিচ্ছে। তার শান্ত প্রকৃতি এবং অনুশীলনে যেভাবে সবকিছু সাজিয়ে তোলেন, আমার মতে দুর্দান্ত। সবাই এটি দারুণভাবে গ্রহণ করেছে।” 

প্রথম রাউন্ড পেরোনোর পর হাটন বলেছিলেন জিম্বাবুয়ের অনুশীলনের সময় কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রত্যেকে খেলোয়াড়কে নেটের চেয়ে মাঠের জন্য বেশি তরতাজা রাখার দিকে নজর তার। এবার আরভিনও সেই একই কথা জানালেন। 

“তিনি প্রত্যেকের মাঝে বাড়তি শক্তির যোগান দেন, কারণ এখন আমাদের ট্রেনিং সেশন আগের চেয়ে সংক্ষিপ্ত হয়। মাঝেমধ্যে তিনি আমাদেরকে নেট থেকে সরিয়ে দেন। এটি সত্যিই ভালো। কারণ সবার মধ্যেই প্রতিভা আছে। সবসময় (নেটে) হাজার হাজার বল খেলার প্রয়োজন নেই।” 

“আমার মতে মূল বিষয় হলো, সবাই তাকে সম্মান করে। যখন তিনি (কিছু বলার জন্য) উঠে দাঁড়ান, সবাই মন দিয়ে শোনে।”