২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

আবারও খরুচে মুস্তাফিজ

ওভারপ্রতি ১৩ রানের বেশি খরচ করা মুস্তাফিজুর রহমানকে পুরো ৪ ওভার করাননি দিল্লি ক্যাপিট্যালস অধিনায়ক।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 15 Apr 2023, 06:02 PM

Updated : 15 Apr 2023, 06:11 PM

‘খরুচে বোলিং করেছেন মুস্তাফিজুর। একটি ওভারে দিয়েছেন ১৯ রান। তার নিজের মানের তুলনায় অনেক খরুচে’- ধারাভাষ্য কক্ষে বলছিলেন রবি শাস্ত্রি। তখন তৃতীয় ওভার শুরু করছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। ওই ওভারে দেন আরও ১২ রান। সব মিলিয়ে পরপর দুই ম্যাচে উদার হস্তে রান দিলেন তিনি।  

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে শনিবার দিনের প্রথম ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোরের বিপক্ষে নিজের কোটার পুরো ৪ ওভার বোলিংয়ের সুযোগ পাননি মুস্তাফিজ। পাওয়ার কারণও নেই। কেননা ৩ ওভারেই খরচ করেছেন ৪১ রান। বিপরীতে কোনো উইকেটও পাননি দিল্লি ক্যাপিট্যালসের বাঁহাতি এই পেসার। 

মুস্তাফিজের খরুচে বোলিংয়ের দিনে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান করেছে বেঙ্গালোর। সর্বোচ্চ ৫০ রান করেছেন বিরাট কোহলি। কুলদিপ যাদব ২৩ রান খরচায় পেয়েছেন ২ উইকেট।  

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে গত মঙ্গলবার ৪ ওভারে ৩৮ রান খরচায় রোহিত শর্মার উইকেট পেয়েছিলেন মুস্তাফিজ। সেদিন দিল্লির পরাজয়ে মুস্তাফিজের দায়টাও কম ছিল না। নিজের শেষ ওভারের শেষ তিন বলে দুই ছক্কায় ১৩ রান হজম করে মুম্বাইয়ের জন্য সমীকরণ সহজ করে দেন তিনি। 

বেঙ্গালোরের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল তার। কিন্তু আরও বাজে বোলিং করে তিন ওভারে ৫ চার ও ২ ছক্কা হজম করেন তিনি। প্রথম ওভারের দুইটি ডেলিভারি ছাড়া একবারও ব্যাটসম্যানকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি তিনি। সহজেই তার বল মোকাবিলা করেন ফাফ দু প্লেসি, বিরাট কোহলি, শাহবাজ আহমেদরা। 

তৃতীয় ওভারে প্রথমবার আক্রমণে আনা হয় মুস্তাফিজকে। স্লোয়ার ডেলিভারিতে বিভ্রান্ত হন দু প্লেসি। পরের গতিময় কাটার তার ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে অল্পের জন্য চলে যায় কিপার অভিষেক পোরেলের মাথার ওপর দিয়ে। এই দুই বলই যা একটু প্রভাববিস্তারী ছিলেন মুস্তাফিজ।  

প্রথম ওভারে আরও এক বাউন্ডারিসহ ১০ রান দেন তিনি। দশম ওভারে দ্বিতীয়বার বল হাতে নিয়ে কোহলির কাছে হজম করেন একটি চার ও ছক্কা। শেষ বলে তাকে পয়েন্টের ওপর দিয়ে ছক্কা মারেন মহিপাল লমরোর। সব মিলিয়ে ওই ওভারে মুস্তাফিজের খরচ ১৯ রান।  

১৯তম ওভারে ফের মুস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। প্রথম চারটি বলই করেন ফুল টস। প্রথম ও চতুর্থ বলে বাউন্ডারি মারেন শাহবাজ। বাকি চার বল থেকে আসে আরও ৪ রান। মুস্তাফিজের বোলিং শেষ হয় ৩ ওভারে ৪১ রান দিয়ে।