টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে গেইলের আরও কাছে হোপ
ক্রিস গেইলের রেকর্ড ছোঁয়ার পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন শেই হোপ।
৯৯ রানে দাঁড়িয়ে পরপর তিন বলে কোনো রান নিতে পারলেন না শেই হোপ। এরপর আর অপেক্ষায় থাকতে হলো না তাকে। পরের বলটিতে এক রান নিয়ে স্পর্শ করলেন কাঙ্ক্ষিত মাইলফলক।
সেঞ্চুরি ছুঁয়ে তিনি ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন, তবে তেমন কোনো উচ্ছ্বাস দেখা গেল না তার মাঝে। কিমো পল তাকে অভিনন্দন জানানোর সময় কেবল ব্যাটের গ্রিপ ঠিক করে নিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক।
হোপের সাদামাটা উদযাপনের কারণ হতে পারে একটাই- ব্যক্তিগত মাইলফলক পূর্ণ হলেও দলের কাজ যে তখনও শেষ হয়নি!
ভারতের বিপক্ষে শনিবার তৃতীয় ওয়ানডেতে রান তাড়ায় ১০৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হোপ, জয়ের জন্য তখনও তার দলের দরকার ৯৮ বলে ১২৬ রান।
এই সিরিজে এটি তার টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি, ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২১তম। এই সংস্করণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির তালিকায় ব্রায়ান লারাকে (১৯টি) ছাড়িয়ে এককভাবে দুই নম্বরে ওঠেন তিনি আগের ম্যাচটিতে। আর চারটি সেঞ্চুরি হলেই তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন ক্রিস গেইলের রেকর্ড (২৫টি)।
ওয়ানডেতে কিপার-অধিনায়ক হিসেবে হোপের সেঞ্চুরি হলো আটটি। ছয়টি সেঞ্চুরি নিয়ে এই তালিকায় দুইয়ে মাহেন্দ্র সিং ধোনি, চারটি সেঞ্চুরি নিয়ে তিনে এবি ডি ভিলিয়ার্স।
ভারতের বিপক্ষে হোপের ওয়ানডে সেঞ্চুরি হলো পাঁচটি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে যা সর্বোচ্চ। এর মধ্যে চারটি সেঞ্চুরি তিনি করলেন ভারতের মাটিতে। এই সংস্করণে ভারতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তার চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি আছে কেবল ডি ভিলিয়ার্সের, পাঁচটি। হোপের সমান চারটি আছে ড্যারিল মিচেলের।
নিউ চান্ডিগাড়ে ৩৫২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দলের ইনিংস শুরু করতে নামেন হোপ। জন ক্যাম্পবেলকে দ্রুত হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটে আমির জাঙ্গুর সঙ্গে শতরানের জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন তিনি।
এরপর আরও দুটি পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটির সঙ্গী হন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। এই প্রতিবেদন লেখার সময় ১১৬ বলে ১০৯ রানে খেলছিলেন তিনি।
