বাংলাদেশের পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আটালের সেঞ্চুরি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টানা দুই ইনিংসে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন আফগানিস্তানের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।
সংস্করণ বদলালেও সেদিকউল্লাহ আটালের ব্যাটে রানের ধারা অটুট। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে সেঞ্চুরি করা আফগানিস্তানের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান জ্বলে উঠলেন পরের ইনিংসেই। এবার তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন তিনি ওয়ানডেতে।
আবু ধাবিতে সোমবার ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০২ রান করেন আটাল। তার ১১০ বলের ইনিংস গড়া এক ছয় ও আট চারে।
১৯ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে আটালের এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। এই সংস্করণে তিন ইনিংসে দ্বিতীয়বার শতকের স্বাদ পেলেন তিনি। গত অগাস্টে আয়ারল্যান্ড সফরে আগের দুই ইনিংসে ৯৮ ও ১৪৩ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
ওয়ানডেতে আটালের প্রথম সেঞ্চুরিটিও আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে হারারেতে খেলেন ১০৪ রানের ইনিংস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করলেন আটাল। আবু ধাবিতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ১১১ রান করেন তিনি। আফগানিস্তানের ম্যাচটি ড্র করার পথে তার ওই ইনিংসটি রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
অষ্টম ওভারে যখন বিদায় নেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, ক্রিজে যান আটাল। কিছুটা মন্থর শুরু করেন তিনি। প্রথম ২২ বলে করেন কেবল ৮ রান। চতুর্দশ ওভারে আর্নেস্ট মাসুকুকে টানা দুটি চার মেরে রান বলের ব্যবধান কমান।
পরে দ্রুত রান তুলে ৫৯ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন আটাল। একই গতিতে এগিয়ে গিয়ে ১০৯ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখেন তিনি। শতক ছোঁয়ার পরের বলেই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন আটাল।
এদিন সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগান ইব্রাহিম জাদরানও। দুটি ছক্কা ও নয়টি চারে ৯৬ বলে ৯০ রান করে ফেরেন এই ওপেনার। আটালের সঙ্গে ইব্রাহিমের জুটিতে আসে ১৪০ রান।
৫০ ওভার ব্যাটিং করে ২৯৪ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান।
