রানের ফোয়ারায় ব্রিটস্কির আরেকটি সেঞ্চুরি
ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৪তম ইনিংসেই আটশর বেশি রান করে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান।
ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ম্যাথু ব্রিটস্কি। ২২ গজে নামলেই উপহার দিচ্ছেন দারুণ সব ইনিংস। সেই ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবার দারুণ এক সেঞ্চুরি করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান।
ডারবানে বৃহস্পতিবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ১১২ রান করেন ব্রিটস্কি। তার ১০৬ বলের ইনিংসটি সাজানো দুটি ছক্কা ও ১৪টি চারে।
ওয়ানডে অভিষেকে ১৫০ রানের ইনিংস খেলে রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রিটস্কি। ১২ ইনিংস পর আবারও সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।
মাঝের ইনিংসগুলোয়ও তার ব্যাট হেসেছে। প্রথম সেঞ্চুরির পরের চার ইনিংসে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি, যেখানে তিনটি আবার ৮০ ছোঁয়া ইনিংস। এরপর আরও দুই দফায় পঞ্চাশ স্পর্শ করেন মিডল অর্ডার এই ব্যাটসম্যান।
ওয়ানডেতে ১৪ ইনিংসে ব্যাটিং করে ব্রিটস্কির রান দুই সেঞ্চুরি ও ছয় ফিফটিতে ৮২২, ব্যাটিং গড় ৬৩.২৩, স্ট্রাইক রেট ৯৭.৭৪।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এদিন সপ্তম ওভারে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে যান ব্রিটস্কি। মুখোমুখি পঞ্চম বলে চার মেরে খোলেন রানের খাতা। এরপর দারুণ ব্যাটিংয়ে ইনিংস গড়তে থাকেন তিনি। নিজের জোনে বল পেলেই হাঁকান বাউন্ডারি।
২৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ম্যাট রেনশকে চার মেরে ফিফটিতে পা রাখেন ব্রিটস্কি, ৫০ বলে। পরের পঞ্চাশ রান করতেও তার লাগে ঠিক ৫০ বল। মিচেল স্টার্কের বলে সিঙ্গল নিয়ে ৪৫তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত রান আউটে কাটা পড়ে শেষ হয় ব্রিটস্কির দারুণ ইনিংস। টেম্বা বাভুমার সঙ্গে ৫৪, রায়ান রিকেলটনের সঙ্গে ৪২, ডেভিড মিলারের সঙ্গে ৪৩ ও মার্কো ইয়ানসেনের সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন তিনি।
চারটি ছক্কা ও সাতটি চারে ৫৯ বলে ৭৫ রান করেন ইয়ানসেন। দক্ষিণ আফ্রিকার আর কেউ ফিফটি ছুঁতে পারেননি।
ব্রিটস্কি ও ইয়ানসেনের সৌজন্যে ৮ উইকেটে ২৯৭ রান করে প্রোটিয়ারা।
