আউট হওয়া ব্যাটসম্যানকে বাইরে থেকে ফেরালেন আম্পায়ার
জনসন চার্লসের ‘নো’ বলের ঘটনা ঠিকঠাক সামাল দিতে না পারায় আম্পায়ারদের কড়া সমালোচনা করেছেন দুই অধিনায়ক।
সিপিএলের ম্যাচে একটি ভুল সংশোধন করতে গিয়ে আরেকটি ভুল করলেন আম্পায়াররা। স্বাভাবিকভাবেই এতে মোটেও খুশি নন দুই দলের দুই অধিনায়ক। আম্পায়ারদের কড়া সমালোচনা করলেন তারা।
বাংলাদেশ সময় বুধবার সকালে হওয়া রান উৎসবের ম্যাচে বারবাডোজ ট্রাইডেন্টসকে ৪ উইকেটে হারায় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। ২১৮ রানের লক্ষ্য তারা ছুঁয়ে ফেলে পাঁচ বল বাকি থাকতে।
বড় রান তাড়ায় দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেওয়ার পথে ৪৫ বলে সাত ছয় ও ছয় চারে ৭৮ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলেন ওপেনার জনসন চার্লস। বিতর্কের শুরু চতুর্থ ওভারে তার আউট এবং মাঠের বাইরে থেকে ফেরা নিয়ে।
ফুল টস বলে ছক্কার চেষ্টায় ডিপ স্কয়ার লেগে ধরা পড়েন চার্লস। তখন রান ছিল ১৫ বলে ২০।
এ সময় ভীষণ হতাশ দেখাচ্ছিল চার্লসকে। তিনি আশা করেছিলেন, ‘নো’ বল ডাকবেন আম্পায়ার ক্রিস রাইট কিংবা জাহিদ বাসারাথ। কিন্তু তেমন কিছু করেননি তারা।
মাঠের বাইরে চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে কথা বলছিলেন সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস কোচ সাইমন হেলমুট। ইঙ্গিতে দেখাচ্ছিলেন, ফুল টস বল ছিল কোমড়ের বেশি উচ্চতার।
আম্পায়ার আউট দেওয়ায় মাঠ ছাড়েন বিস্ফোরক ওপেনার। আউট দেওয়ার পরও রিপ্লে দেখতে থাকেন তৃতীয় আম্পায়ার কার্ল টাকেট। এক সময় হুট করে স্ক্রিনে ভাসে ‘নট আউট।’ মাঠে বিশৃঙ্খল এক পরিস্থিতি দেখা যায়। এবার আম্পায়ারদের ঘিরে ধরেন বারবাডোজের খেলোয়াড়রা।
তৃতীয় আম্পায়ার সিদ্ধান্ত পাল্টানোর পর চার্লসকে ক্রিজে ফেরান আম্পায়াররা। যদিও এটি তারা করতে পারেন না। ব্যাটসম্যান একবার সীমানা দড়ি পেরিয়ে গেলে আর ফেরানোর নিয়ম নেই।
ম্যাচ শেষে আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বারবাডোজ অধিনায়ক ক্রিস গ্রিন।
“একজন খেলোয়াড় যেভাবে বাইরে গেল এবং ফিরে এলো, আমি মনে করি, এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে আজকের আম্পায়াররা ম্যাচ খুব বাজেভাবে চালিয়েছেন। আমার মনে হয়, এই ব্যাপারটা খতিয়ে দেখা দরকার। এটা এই টুর্নামেন্টের জন্য ভালো কিছু নয়।”
একই মত বিজয়ী দলের অধিনায়ক জেসন হোল্ডারেরও।
“আমার মনে হয় আরও দৃঢ় থাকার এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিক থেকে এটা আম্পায়ারদের জন্য জেগে ওঠার একটি বার্তা।”
