২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মুস্তাফিজকে নিয়ে কেন সোচ্চার হননি ক্রিকেটাররা? যা বলছে কোয়াব

মুস্তাফিজের আইপিএলের চুক্তির কিছু অর্থ আদায় করতে আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগ নিয়েছিল ক্রিকেটারদের সংগঠন, কিন্তু বাঁহাতি এই পেসার নিজেই চাননি এমন কিছু করতে।

বিডিনিউজ২৪

ক্রীড়া প্রতিবেদক, সিলেট থেকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Jan 2026, 07:54 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:32 PM

আইপিএল থেকে বাদ পড়ার পর মুস্তাফিজুর রহমানের চুক্তির অর্থের কিছু অংশ আদায় করতে আইনি পদক্ষেপের উদ্যোগ নিয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সংগঠন। কিন্তু বাঁহাতি এই পেসার নিজেই তেমন কিছু করতে আগ্রহী হননি বলে জানালেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।

সিলেটের একটি হোটেলে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর সভাপতি মিঠুন, চলতি বিপিএলে যিনি ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক। তার পাশে ছিলেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, সাইফ হাসান, ইরফান শুক্কুর, শামীম হোসেনসহ বেশ কজন ক্রিকেটার।

সংবাদ সম্মেলনটির মূল উদ্দেশ্য ছিল অবশ্য তামিম ইকবালকে নিয়ে বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদ। কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দুপুরেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় কোয়াব। পরে বিকেলে সিলেটে সংবাদ সম্মেলনও করেন তারা। বিপিএলে যাদের ম্যাচ নেই এ দিন, সেই দলগুলির বেশ বেশ কজন ক্রিকেটার ছিলেন সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা কথাগুলিই আবার তুলে ধরে নিজেদের অবস্থান ব্যাখা করেন মিঠুন। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, তামিমের প্রসঙ্গে এত সোচ্চার হলেও মুস্তাফিজের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে কেন প্রতিবাদ জানায়নি কোয়াব বা ক্রিকেটাররা।

মিঠুন জানান, কোয়াবের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। 

“আপনারা হয়তো জানেন না, আমরা মুস্তাফিজের সাথে আলোচনা করেছি। আমরা ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে মিটিং করেছি যে, মুস্তাফিজকে নিয়ে কী কী করতে পারি, কোন কোন পদক্ষেপ নিতে পারি।”

“ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন থেকে আমাদেরকে নিশ্চিত করেছিল, যদি মুস্তাফিজ চায়, ওকে লিগ্যাল অ্যাডভাইজার দিয়ে… গোটা বিশ্বেই তাদের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার আছে… তাদেরকে দিয়ে তারা বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। তাকে তো পুরোটা (অর্থ) অ্যারেঞ্জ করে দিতে পারবে না, তবে যতটুকু সম্ভব ক্ষতিপূরণ তারা ব্যবস্থা করে দিবে।”

তার পরও কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলো না, সেটিও খোলাসা করলেন মিঠুন। 

“পরে আমরা মুস্তাফিজের সঙ্গে যখন যোগাযোগ করি, সে এই জিনিসটা নিয়ে (আগ্রহী হয়নি)….। এটা দেখুন, সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সে বলেছে, ‘ভাই, এখন আপাতত থাক, যদি আমার প্রয়োজন হয়, আমি জানাব।’ সেজন্য আমরা এই জিনিসটা নিয়ে আর সামনে মুভ করিনি।”