অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা উইকহ্যামের বার্তা
বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার মোহাম্মদ হোসেন ধরেছেন চারটি শিকার।
লাল বলের ক্রিকেটে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা কেভিন উইকহ্যাম বাংলাদেশে এসে দেখালেন নিজের সামর্থ্য। প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ব্যাটিংয়ে অপরাজিত পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংসে খেললেন তিনি। মিরপুর টেস্টের আগে বাংলাদেশকে একরকম বার্তা দিয়ে রাখলেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান।
আনভির ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে শুক্রবার ৬৭ রান করেন ২৩ বছর বয়সি উইকহ্যাম। ১০৭ বলের ইনিংসে সাতটি চার মারেন তিনি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশ সফর দিয়ে প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ডাক পান উইকহ্যাম। প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজ চ্যাম্পিয়নশিপের সবশেষ আসরে টানা তিন ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
২৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ছয়বার তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেয়েছেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। সঙ্গে চার ফিফটিতে এই সংস্করণে তার রান এক হাজার ৪৭২।
আগামী বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুরু দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। তার আগের প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেদের ভালোভাবেই ঝালিয়ে নিয়েছেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটাররা। একমাত্র ইনিংসে ৬ উইকেটে ৩৩৬ রান করেছে সফরকারীরা।
উইকহ্যাম ছাড়া ফিফটি করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওপেনার জন ক্যাম্পবেল। ওয়ানডে ঘরানার ব্যাটিংয়ে দুটি ছক্কা ও নয়টি চারে ৭৮ বলে ৬৫ রান করে স্বেচ্ছায় মাঠ ছাড়েন তিনি।
ব্যান্ডন কিং ৩৫ বলে ৪০ রান করতে আটটি চার মারেন। ব্যাটিং গ্রেট শিবনারাইন চান্দারপলের ছেলে তেজনারাইন ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। দুই চারে করে ৩১।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জুনে ডাবল সেঞ্চুরি করা আমির জাঙ্গু এক ছয় ও চার চারে করেছেন ৪৪। নয়ে নেমে তিনটি করে ছক্কা ও চারে অপরাজিত ৪৬ রান করেছেন সফরকারীদের অধিনায়ক রোস্টন চেইস।
প্রথম টেস্টের জন্য ডাক পাওয়া কেবল জাকের আলি খেলেন প্রস্তুতি ম্যাচে। আগের দিন কেবল ৩০ রান করতে পারেন বাংলাদেশের এই কিপার-ব্যাটসম্যান।
তরুণদের নিয়ে গড়া বিসিবি একাদশের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন লেগ স্পিনার মোহাম্মদ হোসেন। কাভেম হজ, জাঙ্গু, জশুয়া দা সিলভা ও জশুয়া বিশপকে বিদায় এখনও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা হোসেন।
অনিক দেববর্মা পেয়েছেন একটি উইকেট। কিংকে এলবিডব্লিউ করেন তরুণ এই পেসার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বিসিবি একাদশ: ৩৭১/৭ ডিক্লে
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৮০ অয়ারে ৩৩৬/৬ (ক্যাম্পবেল ৬৫, কিং ৪০, চান্দারপল ৩১, হজ ১৩, জাঙ্গু ৪৪, দা সিলভা ১১, উইকহ্যাম ৬৭*, বিশপ ৪, চেইস ৪৬*; ফাহাদ ৫-০-৪৫-০, হালিম ৪-০-২৩-০, অনিক ৯-০-২৭-১, রিজওয়ান ৬-০-১৮-০, মেহেরব ১৫-১-৫০-০, জিশান ৩-০-১৯-০, শামীম ১২-১-৩৩-০, আফিফ ৫-০-১২-০, হোসেন ১২.২-১-৫৫-৪, মাহফিজুল ৩.৪-০-৩৮-০, কালাম ৫-১-১৪-০)
ফল: ম্যাচ ড্র
