অস্ট্রেলিয়ায় শেষ দুই টেস্টেও খেলা হচ্ছে না শামির
অ্যাঙ্কেলের সমস্যা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠলেও বোলিংয়ের চাপের কারণে বাঁ হাঁটু ফুলে গেছে অভিজ্ঞ এই পেসারের।
বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির শেষ দুই টেস্টে মোহাম্মদ শামির খেলার সম্ভাবনা নিয়ে চলছিল আলোচনা। তবে এখনই জাতীয় দলে ফেরা হচ্ছে না তার। বাঁ হাঁটু ফুলে যাওয়ায় সিরিজের চতুর্থ ও পঞ্চম টেস্টের জন্য বিবেচনা করা হবে না অভিজ্ঞ এই পেসারকে।
ব্রিজবেনে তৃতীয় টেস্ট শেষে গত সপ্তাহে ভারত অধিনায়ক রোহিত শার্মা বলেছিলেন, ফিটনেস নিয়ে ‘২০০ ভাগ নিশ্চিত’ হলেই কেবল শামিকে খেলাবেন তারা। ভারতের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির (এনসিএ) চিকিৎসকদের থেকে শামির ফিটনেসের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন তিনি।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পুরোপুরি ফিট নন শামি। অ্যাঙ্কেলের সমস্যা পুরোপুরি কাটিয়ে উঠলেও বোলিংয়ের চাপের কারণে বাঁ হাঁটু ফুলে গেছে ৩৪ বছর বয়সী ক্রিকেটারের।
“রাঞ্জি ট্রফির ম্যাচে মধ্য প্রদেশের বিপক্ষে বাংলার হয়ে শামি ৪৩ ওভার বোলিং করেছে। তারপর সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে (টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট) বাংলার ৯ ম্যাচের সবকটিতে সে খেলেছে, সেখানে টেস্ট ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হতে বাড়তি বোলিং সেশনও করেছে। বোলিংয়ের চাপের কারণেই তার বাঁ হাঁটু হালকা ফুলে গেছে। দীর্ঘ দিন পর এত সময় ধরে বোলিং করার কারণে এই ফোলাভাব স্বাভাবিক।”
“পর্যবেক্ষণ করার পর বিসিসিআইয়ের চিকিৎসক দলের মনে হয়েছে, তার সেরে উঠতে আরও সময় লাগবে। তাই বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির বাকি দুটি টেস্টে তাকে বিবেচনা করার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হয়নি।”
গত বছরের নভেম্বরে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালের পর থেকে আর ভারতের হয়ে খেলেননি শামি। ওই টুর্নামেন্টে তাকে খেলতে হয় বিশেষ ইনজেকশন নিয়ে। ফেব্রুয়ারিতে ডান অ্যাঙ্কেলে অস্ত্রোপচার করাতে হয় তার।
দীর্ঘ পুনর্বাসনের পর গত মাসে রাঞ্জি ট্রফির ম্যাচ দিয়ে এক বছর পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরেন তিনি। চলমান একদিনের ম্যাচের টুর্নামেন্ট ভিজায় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার স্কোয়াডে রাখা হয়নি তাকে। বিসিসিআই বলেছে, এই টুর্নামেন্টে তার অংশগ্রহণ নির্ভর করবে হাঁটুর উন্নতির ওপর।
আগামী বৃহস্পতিবার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শুরু হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে এখন ১-১ সমতা।
