২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মুস্তাফিজের হিসেবি বোলিং, নিলেন উইকেটও

আসরে উইকেট শিকারির তালিকায় সতীর্থ ওয়াকার সালামখেইলের সঙ্গে আপাতত শীর্ষে আছেন তিনি।

মুস্তাফিজের হিসেবি বোলিং, নিলেন উইকেটও
অধিনায়ক মোহাম্মাদ নাবির সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমান (ডানে)। ছবি: দুবাই ক্যাপিটালস ফেইসবুক।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Dec 2025, 10:35 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:23 PM

আইএল টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক আসরে দারুণ পারফরম্যান্স করে চলেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। বল হাতে প্রতি ম্যাচেই উইকেটের দেখা পাচ্ছেন তিনি। শারজাহ ওয়ারিয়র্জের বিপক্ষেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে এক শিকার ধরেছেন দুবাই ক্যাপিটালসের বাঁহাতি এই পেসার।

দুবাইয়ে বুধবার চার ওভার করে ২৭ রান দেন মুস্তাফিজ। তিনটি বাউন্ডারি হজম করেন তিনি। তার ১০ বলে আসেনি কোনো রান।

তাসকিন আহমেদদের দলের বিপক্ষে প্রথম দেখায় মিতব্যয়ী বোলিংয়ে স্রেফ ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছিলেন মুস্তাফিজ। সেই তুলনায় অবশ্য এবার কিছুটা খরুচে তিনি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে এখন পর্যন্ত আট ম্যাচ খেলে ১৫ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। আসরে উইকেট শিকারির তালিকায় আপাতত দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি। ১৭ উইকেট নিয়ে তার সতীর্থ ওয়াকার সালামখেইল সবার উপরে।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে আক্রমণে এসে দুর্দান্ত বোলিং করেন মুস্তাফিজ। প্রথম দুই বলে আসে দুটি সিঙ্গল। তার পরের চার বলে কোনো রানই নিতে পারেননি জনসন চার্লস।

চতুর্থ ওভারে ফের বল হাতে পেয়ে শুরুটা ভালোই করেন মুস্তাফিজ। প্রথম তিন বলে দেন দুই রান, যার মধ্যে এক রান আসে ওয়াইড থেকে। চতুর্থ ডেলিভারিতে চার মারেন মোনাঙ্ক প্যাটেল। শেষ দুই বলে আসে তিন রান। ৯ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন মুস্তাফিজ।

নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলেই সিকান্দার রাজাকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজ। তার টেনে করা অফকাটারে বোলারকে সহজ ফিরতি ক্যাচ দেন জিম্বাবুয়ের তারকা রাজা। ওভারের শেষ পাঁচ বল থেকে আসে দুটি সিঙ্গল ও একটি ডাবল।

১৯তম ওভারে কোটার শেষ ওভারে ভালো করতে পারেননি মুস্তাফিজ। প্রথম তিন বলে তিন রান দেওয়ার পর, শেষ তিন বলে হজম করেন দুই চার। ১২ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন তিনি।

দুবাইয়ের হয়ে ম্যাচে উইকেট নেন বোলিং করা সবাই। স্রেফ ১৩ রান দিয়ে ২ শিকার ধরে দলের সেরা বোলার হায়দার আলি। দুটি প্রাপ্তি সালামখেইলেরও, ২৯ রান খরচায়। মোহাম্মাদ নাবি ও ডেভিড উইলি পান একটি করে উইকেট।

চমৎকার বোলিংয়ে শারজাহকে ১৩৪ রানে আটকে রাখে দুবাই। শারজাহর হয়ে দুটি করে ছক্কা-চারে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করতে ৪৬ বল খেলেন জনসন চার্লস। ব্যাটিং পাননি তাসকিন।