‘মাহমুদউল্লাহ কিছুটা ধোনির মতো, তবে ধোনি তো চিরদিন খেলে যেতে পারে না’

মাহমুদউল্লাহর বিকল্প খোঁজার উপযুক্ত সময় এখনই, বললেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীধরন শ্রীরাম।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Sept 2022, 12:51 PM
Updated : 14 Sept 2022, 12:51 PM

বাংলাদেশের ক্রিকেটে শ্রীধরন শ্রীরামের বিচরণ খুব বেশি দিনের নয়। তবে মাহমুদউল্লাহকে চেনার জন্য তো আর এই দেশের ক্রিকেটের সংস্পর্শ প্রয়োজন নেই। দূর থেকে দেখে বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে ভারতীয় কিংবদন্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো মনে হয়েছে শ্রীরামের। কিন্তু ধোনির মতো মানেই তো আর চিরদিন টিকে থাকার নিশ্চয়তা নয়। শ্রীরাম নিজেই মনে করিয়ে দিলেন, সব ভালো কিছুরই শেষ আছে।

ধোনি ভারতের ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ও সীমিত ওভারের ক্রিকেটের ইতিহাসে ‘ফিনিশার’ হিসেবে সর্বকালের সেরাদের একজন। তার উচ্চতার একজনের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর তুলনায় চোখ কপালে উঠতে পারে অনেকের। তবে শ্রীরাম বলেছেন ‘ফিনিশার’ হিসেবে সুনির্দিষ্ট ওই ভূমিকার কথা।

তবে ধোনির মতো সেই ক্রিকেটার বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা হারালেন শ্রীরাম টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দ্বিতীয় আসরেই। তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই শেষ পর্যন্ত নিউ জিল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা হয়নি বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি খেলা ক্রিকেটারের।

বলার অপেক্ষা রাখে না, মাহমুদউল্লাহকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে শ্রীরামের বড় ভূমিকা ছিল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি তা খোলাসাও করলেন। মাহমুদউল্লাহর প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথা যেমন বললেন টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট, তেমনি তুলে ধরলেন তাকে বাদ দেওয়ার বাস্তবতাও।

“আমাদের দলের জন্য এমন একটি পরিকল্পনা দরকার, যা অন্য দলগুলি খুব ভালোভাবে করেছে, তা হলো প্রতিটি ক্রিকেটারের উত্তরাধিকার ঠিক করা। মাহমুদউল্লাহকে আমার সবসময়ই কিছুটা মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো মনে হয়েছে, দলের জন্য যে ভূমিকা সে পালন করে আসছে। ৬ নম্বরে ব্যাট করেছে সে, ধোনি যা ভারতীয় দলে করেছে এবং খেলা শেষ করে এসেছে।”

“তবে ধোনি তো চিরদিন চালিয়ে যেতে পারে না, তাই না? একটা পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন যে, এরপর কে? আমার মনে হয়, আমাদের সবার একত্র হয়ে এটা ভাবার সঠিক সময় ছিল এখনই, কে এই গুরু দায়িত্ব পালন করতে পারে। মাহমুদউল্লাহর জায়গা নেওয়া মানে অনেক বড় দায়িত্ব। কাজটা সহজ নয়। তবে কাউকে ওই ভূমিকায় সুযোগ না দিলে আমরা উপযুক্ত কাউকে খুঁজে পাব না।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক