‘বোলিং কোচকে জরিমানা করুন’, ‘নো’ বল ঠেকাতে গাভাস্কারের চমকপ্রদ টোটকা
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ভারতের বোলারদের ‘নো’ বল করার প্রবণতায় বিরক্ত হয়ে এই পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান।
টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের বোলারদের ‘নো’ বল করার প্রবণতা নিয়ে বিরক্ত সুনীল গাভাস্কার। এই সমস্যার সমাধানে দেশটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান বাতলে দিলেন অদ্ভুত দাওয়াই। তার মতে, অতিরিক্ত ‘নো’ বল করা বোলারদের পাশাপাশি বোলিং কোচকেও জরিমানা করা হোক।
কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে ভারত ‘নো’ বল করে মোট ১৩টি, যার মধ্যে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১টিই করেন স্পিনার রাভিন্দ্রা জাদেজা ও সারানশ জৈন। গলে প্রথম টেস্টেও চারটি ‘নো’ বল করেন জাদেজা।
রোববার মিড-ডেতে লেখা কলামে ভারতের বোলারদের এত বেশি ‘নো’ বল করা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন গাভাস্কার।
“ভারতীয় বোলারদের করা ‘নো’ বলগুলো নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার, কারণ এটা খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে… খেলোয়াড়রা সাক্ষাৎকারে প্রায়ই বলেন, নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিষয়গুলোর ওপর তারা জোর দেন। এখন রান-আপ মাপার জন্য টেপ মেজার থাকায় বোলিং ক্রিজ পেরিয়ে যাওয়ার কোনো অজুহাত থাকতে পারে না।”
‘নো’ বলের সংখ্যা কমাতে ভারতের স্পিন বোলিং কোচ সাইরাজ বাহুতুলে মজা করে টেস্ট ক্রিকেটে ফ্রি হিট চালুর পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে গাভাস্কার তাতে একমত নন। এতে বরং খেলাটি ব্যাটসম্যানদের পক্ষেই বেশি ঝুঁকে যাবে বলে মনে করেন তিনি।
“দয়া করে, এই শাস্তির মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের জন্য রান করা সহজ করে দেবেন না। এমনিতেই ওভারপ্রতি বাউন্সারের সংখ্যা দুটিতে সীমাবদ্ধ এবং বাউন্ডারি সীমানা ছোট করে আনার ফলে রান করা কিছুটা সহজ হয়ে গেছে।”
তাই ভারতের সাবেক ওপেনারের পরামর্শ, ‘ওভারস্টেপ’ করা বোলারদের জরিমানা করা হোক, আর এই জরিমানা পরবর্তী প্রতিটি ‘নো’ বলের জন্য হবে দ্বিগুণ। তার মতে, বোলারদের মোট জরিমানার অর্ধেক পরিমাণ অর্থ জরিমানা করা উচিত বোলিং কোচকে।
“এমন একটি জরিমানা করা হোক, যা পরবর্তী প্রতিটি নিয়মভঙ্গের জন্য দ্বিগুণ হবে এবং সেই সঙ্গে বোলিং কোচের জন্যও জরিমানার অর্ধেক পরিমাণ অর্থ ধার্য করা হবে। সংগৃহীত জরিমানার অর্থ ছেলেরা দল ছাড়ার আগে শেষ টিম ডিনারের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।”
