রাবাদার ‘রিক্রিয়েশনাল ড্রাগ’ ছিল কোকেইন
কোকেইন গ্রহণ করায় ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে এক মাস নিষিদ্ধ ছিলেন কাগিসো রাবাদা।
নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস পর জানা গেল, কাগিসো রাবাদার গ্রহণ করা ড্রাগের নাম। নিষিদ্ধ কোকেইন নিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা পেসার।
সাউথ আফ্রিকান ইন্সটিটিউট ফর ড্রাগ-ফ্রি স্পোর্ট (এসএআইডিএস) জানিয়েছে এই তথ্য। শাস্তির বিরুদ্ধে আপিলের সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর রাবাদার ডোপিং টেস্টের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তারা।
এসএএআইডিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাবাদার ডোপ টেস্টের নমুনায় কোকেইনের একটি বিপাককৃত রূপ বেনজয়েলেকোনিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। মূলত কোকেইন পাকস্থলিতে পরিপাকের পর বেনজয়েলেকোনিনে রূপ নেয়। যা প্রসাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে।
এসএটোয়েন্টি চলাকালে গত ২১ জানুয়ারি রাবাদার ডোপ টেস্ট করা হয়। এরপর ওই আসরে পুরোটা খেলেন তিনি। পরে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ভারতের আইপিএল খেলেন ৩০ বছর বয়সী পেসার।
পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মার্চের শেষ দিকে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার খবর দেওয়া হয় রাবাদাকে। ফলে এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে এক মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় তাকে।
তখন ‘ব্যক্তিগত জরুরি কারণ’ দেখিয়ে আইপিএল ছেড়ে দেশে চলে যান রাবাদা। শাস্তি পুরোটা কাটিয়ে গত মাসের শুরুতে আবার আইপিএলে ফিরে ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার খবর তিনি নিজেই জানান।
রাবাদার গ্রহণ করা ড্রাগটি মূলত ‘রিক্রিয়েশনাল’, পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলার মতো কোনো উপাদান তাতে ছিল না। এছাড়া এডুকেশনাল প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং নন-ম্যাচ ডেতে ড্রাগটি নেওয়ায় তার শাস্তি কমিয়ে ১ মাস রাখা হয়।
নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আইপিএলে ফিরে দুটি ম্যাচ খেলেন রাবাদা। তেমন ভালো অবশ্য করতে পারেননি। পরে জাতীয় দলের ডাকে আইপিএলের প্লে-অফ না খেলেই আবার দেশে ফেরেন।
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আগামী ১১ জুন অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
