এভারকেয়ারের পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি বিভাগের এক দশক পূর্তি উদযাপন
“১০ বছরে আমাদের বিভাগে ডিভাইস ক্লোজার পদ্ধতির মাধ্যমে ২০০ এর বেশি শিশুর সফলভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে,” বলেন শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা তাহেরা নাজরীন।
এভারকেয়ার হাসপাতালের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম) পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে শিশুদের হৃদরোগ, হৃদ্যন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা, লক্ষণ, রোগ নির্ণয় ও সময়মতো চিকিৎসার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়সভা হয়েছে।
মঙ্গলবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।
হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও রত্নদ্বীপ চাস্কার বলেন, “১০ বছরের গৌরবময় এক যাত্রা সম্পন্ন করল আমাদের পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি বিভাগ, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। ডা. তাহেরা নাজরীনসহ এই বিভাগে কর্মরত সবাইকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।
“হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশের ক্ষেত্রে জন্মের পরপরই বা শৈশবের শুরুতে রোগ শনাক্ত করা গেলে ডিভাইস ক্লোজার পদ্ধতিতে চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনযাপন করতে পারে। তাই গর্ভাবস্থাতেই নিয়মিত আলট্রাসনোগ্রাফি এবং জন্মের পর শিশুর হার্টের রুটিন পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।”
এভারকেয়ার হাসপাতালের শিশু হৃদরোগ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা তাহেরা নাজরীন বলেন, “শিশুদের হৃদরোগের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় শ্বাসকষ্ট, খাওয়ার সময় ক্লান্ত হয়ে পড়া, অতিরিক্ত ঘাম বা ওজন না বাড়ার মত লক্ষণকে সাধারণ সমস্যা মনে করা হয়। এসব লক্ষণ বারবার দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
“গত ১০ বছরে আমাদের বিভাগে ডিভাইস ক্লোজার পদ্ধতির মাধ্যমে ২০০ এর বেশি শিশুর সফলভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। সময়মত রোগ শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক শিশুই সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারে। শিশুর জন্মের পূর্বেই ফিটাল ইকো কার্ডিওগ্রাফি এবং মায়ের গর্ভধারণের পূর্বে এমএমআর টিকাদান শিশুর হৃদরোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।”
