গ্রামীণফোনের এআই বুটক্যাম্প
জিপিহাউজে সম্মাননা দেওয়ার মাধ্যমে বুটক্যাম্পের আয়োজন শেষ হয়।
তরুণদের বাস্তবমুখী ও ভবিষ্যৎ উপযোগী দক্ষতা বাড়াতে এআই বুটক্যাম্প পরিচালনা করেছে গ্রামীণফোনের বিনামূল্যে অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গ্রামীণফোন একাডেমি।
বৃহস্পতিবার গ্রামীণফোনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদীয়মান উদ্ভাবকদের একত্র করে তাদের আইডিয়া এআইচালিত ডিজিটাল সল্যুশনে রূপান্তরে সহায়তা করেছে এ বুটক্যাম্প। নির্বাচিত ৮০ জন অংশগ্রহণকারীর হাতে-কলমে শেখা ও পণ্য উদ্ভাবনের সুযোগ করে দিয়েছে বুটক্যাম্পটি।
গত ১২ অক্টোবর জিপিহাউজে সম্মাননা দেওয়ার মাধ্যমে এ আয়োজন শেষ হয়।
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ২১০টিরও বেশি আবেদন থেকে ৮০ জন অংশগ্রহণকারীকে এআই বুটক্যাম্পের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা তাদের শেখা বিষয়গুলো বাস্তবে প্রয়োগ করেন। আগের কোনো প্রোগ্রামিং অভিজ্ঞতা ছাড়াই শুধু এআই প্রম্পট ব্যবহার করে কার্যকর ওয়েবসাইট তৈরির চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়ে শিক্ষার্থীদের।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আইডিয়েট, বিল্ড, টেস্ট– এ পদ্ধতি অনুসরণ করে বুটক্যাম্পটি অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব জীবনের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, এআইচালিত সমাধান তৈরি এবং সেগুলোকে নূন্যতম ব্যবহার উপযোগী পণ্যে রূপান্তরে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।”
বুটক্যাম্পে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ’ট্রেজেক্টরি’ প্ল্যাটফর্ম নিমার্তা দল। ‘মাইজিপি কেয়ার’ প্ল্যাটফর্ম নির্মাতা দলটি হয়েছে প্রথম রানার্স-আপ। দ্বিতীয় রানার্স-আপ হয়েছে ‘প্রজেক্ট লাইফলাইন’ নির্মাতা দল।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, “এআই যেভাবে আমাদের শেখার, কাজ করার এবং নতুন সুযোগ তৈরি করার ধরনগুলো বদলে দিচ্ছে, তাতে এই রূপান্তরে অংশ নেওয়ার জন্য তরুণদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার তানভীর মোহাম্মদ, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাক এবং গ্রামীণফোন একাডেমির শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
