একাত্তরে গণহত্যার তথ্যচিত্র ‘বে অব ব্লাড’ দেখানো হল ইউল্যাবে
মূলত, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত গণহত্যা ও নারীদের উপর ভয়াবহ নৃশংসতা যে শুধু কিছু পাকিস্তানী সেনা সদস্যের অতি উৎসাহী পাশবিকতার প্রকাশ নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত সেনাকর্মকাণ্ড; সে কথাই বারবার উচ্চারিত হয়েছে এই প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটিতে।
মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যার উপর নির্মীত তথ্যচিত্র ‘বে অব ব্লাড’ এর বিশেষ প্রদর্শনী হয়ে গেল
ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশে (ইউল্যাব)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউল্যাব জানায়, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত প্রদর্শনীটি হয় ইউল্যাবের ধানমন্ডির গবেষণা ভবনের মিলনায়তনে গত ২০ অগাস্ট।
ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা কৃষ্ণেন্দু বোস ‘বে অব ব্লাড’ তথ্যচিত্রে ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগ ও তার পরবর্তী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমির ধারাবাহিক ইতিহাস তুরে ধরেছেন।
মূলত, মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত গণহত্যা ও নারীদের উপর ভয়াবহ নৃশংসতা যে শুধু কিছু পাকিস্তানী সেনা সদস্যের অতি উৎসাহী পাশবিকতার প্রকাশ নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত সেনাকর্মকাণ্ড; সে কথাই বারবার উচ্চারিত হয়েছে এই প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটিতে।
প্রদর্শনীতে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য জুড উইলিয়াম হেনিলো।
প্রদর্শনী শেষে নির্মাতা কৃষ্ণেন্দু বোস তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তথ্যচিত্রটি নির্মাণে তার দীর্ঘ চার বছরের অভিজ্ঞতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
প্রদর্শনীতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসির মামুন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও লেখক মফিদুল হক, প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষক শাহনাজ হুসনে জাহানসহ অনেকে।
