০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

'ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণায়' আনা হয়েছে বিএমডব্লিউ রেসিং কার

বিচ্ছিন্ন বা কাটা গাড়ি বিভিন্ন চালানে এনে পরে পুনঃসংযোজনের কোনো কৌশল ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 07 Oct 2026, 11:13 AM

Updated : 07 Oct 2026, 11:13 AM

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও 'ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ রেসিং কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আমদানির ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধিদপ্তর বলছে, মঙ্গলবার একটি সন্দেহভাজন চালানের কায়িক পরীক্ষায় ঘোষণার সঙ্গে বড় ধরনের গড়মিল মেলে।

ওই চালান আনা হয়েছিল ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণা দিয়ে। কিন্তু কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই চালানে সিকেডি (খণ্ড ) অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের সামনের অর্ধাংশ এবং অর্ধেক কেটে আনা পাঁচটি ইসুজু ট্রাক রয়েছে।

অধিদপ্তর বলছে, আমদানিকারক কোম্পানি মেসার্স আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল চট্টগ্রামের হালিশহরে ঠিকানা দিয়ে ব্যবসা করছে। এই চালানটির সিএন্ডএফ এজেন্ট আমিন (সিএন্ডএফ এজেন্ট) প্রাইভেট লিমিটেড।

রপ্তানিকারক কোম্পানি হল, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কো এলএলসি।

কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ দুই আসনের স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি।

আরও পাওয়া যায় বিএমডব্লিউ ৭৪০আই এর সামনের অর্ধাংশ। ২০১৬ মডেলের ওই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০০ সিসি।

অধিদপ্তর বলছে, "বিশেষভাবে সন্দেহজনক বিষয় হল, গাড়িটির শুধু সামনের অংশ এই চালানে পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট অংশ অন্য কোনো চালানে আনা হয়েছে বা আনার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়টিও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হচ্ছে।"

ঘোষিত পণ্য এবং বাস্তবে পাওয়া পণ্যের প্রকৃতি ও অবস্থার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকায় ‘অসত্য’ ঘোষণা, ‘শুল্ক-কর ফাঁকির’ সম্ভাবনা এবং বিচ্ছিন্ন বা কাটা গাড়ি বিভিন্ন চালানে এনে পরে পুনঃসংযোজনের কোনো কৌশল ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তর।