সেপ্টেম্বরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রতিমন্ত্রীর
ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পরিশোধ, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট দ্রুত চালু করার উদ্যোগের কথা বলেছেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট কাটাতে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পরিশোধে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বন্ধ থাকা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট দ্রুত চালু করা, এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
এসব পদক্ষেপে সেপ্টেম্বরে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুলের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব তথ্য দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ২১ জুলাই ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বন্ধ হয়ে যাওয়া মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালটি (এফএসআরইউ) ১৫ অগাস্ট আবার পূর্ণ ক্ষমতায় চালু করা হয়েছে।
তবে ওই ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহ শৃঙ্খলে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার ৮৮ শতাংশ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ভাগে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।
এফএসআরইউ হলো সমুদ্রে ভাসমান অবকাঠামো, যেখানে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি সংরক্ষণ করে আবার গ্যাসে রূপান্তর করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি শিল্প ও গৃহস্থালি খাতেও পর্যাপ্ত গ্যাস দেওয়া সম্ভব হবে। এতে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিরও কিছুটা উন্নতি হবে।
চাহিদা ও বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যে বড় ঘাটতি থাকায় ব্যয়বহুল ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও বেশি চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফার্নেস অয়েল থেকে সর্বোচ্চ ৪ হাজার মেগাওয়াট
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে চাইলেই ৬ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব নয়।
এসব কেন্দ্রের অনেকগুলো পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট। অর্থাৎ বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকার সময়ে স্বল্প সময়ের জন্য এগুলো চালানো হয়। এ ধরনের কেন্দ্র একটানা চালানো যায় না বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর হিসাবে, এসব কেন্দ্রের কার্যকর উৎপাদন সক্ষমতা মোট ক্ষমতার সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ। সে হিসাবে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।
বর্তমানে এসব কেন্দ্র থেকে ৩ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, উৎপাদন ৪ হাজার মেগাওয়াটে নিতে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোকে আরও অর্থ দিতে হবে।
আগের সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের পুঞ্জীভূত বকেয়া মিলিয়ে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারের কাছে প্রায় ৪৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এই বকেয়ার বিপরীতে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই টাকা ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে দেওয়া হবে, যাতে তারা উৎপাদন বাড়িয়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত নিতে পারে।
তাতে বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
পায়রা-মাতারবাড়ির বন্ধ ইউনিট চালুর তাগিদ
কয়লাভিত্তিক পায়রা ও মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট বর্তমানে বন্ধ থাকার কথাও সংসদে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, পায়রার ৬৬০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট কারিগরি ত্রুটির কারণে এবং মাতারবাড়ির ৬০০ মেগাওয়াটের একটি ইউনিট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে।
বন্ধ ইউনিট দুটি যাতে দ্রুত পূর্ণ ক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরতে পারে, সেজন্য সরকার নজরদারি করছে বলে জানান তিনি।
ভারতের আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও চুক্তি অনুযায়ী পুরো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দিনে আদানির কেন্দ্র থেকে প্রায় ৯০০ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যায় প্রায় ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধের আহ্বান
স্বল্পমেয়াদে বিদ্যুৎ সংকট সামাল দিতে ব্যবহার কমানোর ওপরও জোর দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রাত ৮টার মধ্যে বিপণিবিতান ও দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ে সেই নির্দেশনা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না।
সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা গেলে শিক্ষার্থী ও অসুস্থ মানুষের ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।
ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ‘মধ্যমেয়াদি’ সমাধান
চলমান সংকটের মধ্যমেয়াদি সমাধানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে দেখছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
আগামী গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুম সামনে রেখে দ্রুত উৎপাদনে আসতে পারে এমন সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও তিনি বলেছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। এতে উদ্যোক্তারা ছাদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন। নিজের প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।
১ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এর আওতায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া উদ্যোক্তারা তিন বছর পর্যন্ত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সায় সরকারের কাছে বিক্রি করতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সমীক্ষা অনুযায়ী ব্যাটারিসহ এ ধরনের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ ৮ টাকা হতে পারে।
তার হিসাবে, এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে উদ্যোক্তার মূল বিনিয়োগের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ তিন বছরের মধ্যে উঠে আসতে পারে।
সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনে যন্ত্রপাতি আমদানির কর সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এক শতাংশ কাস্টমস শুল্ক দিয়ে আমদানি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর দিতে হয় না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাণিজ্যিক আমদানিকারকদেরও আগামী ছয় মাসের জন্য এই সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আওতায় সোলার প্যানেল, ফটোভোল্টিক জেনারেটর, ব্যাটারি, ভোল্টেজ রেগুলেটর ও ইনভার্টার আমদানিতে এক শতাংশ কাস্টমস শুল্ক রাখা হবে। এ সময় তাদের ভ্যাট ও অগ্রিম আয়কর দিতে হবে না।
এ বিষয়ে কয়েক দিনের মধ্যে এসআরও বা বিধিবদ্ধ আদেশ জারি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
নতুন এলএনজি টার্মিনালের সুফল ২০২৮ সালে
দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে নতুন আরেকটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও প্রতিমন্ত্রী বলেন।
তিনি বলেন, নতুন এফএসআরইউ স্থাপনে দ্রুত চুক্তি করার চেষ্টা চলছে। ২০২৮ সালের মধ্যে এর সুফল পাওয়া যেতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আরেকটি এফএসআরইউ স্থাপনের পরিকল্পনা থাকলেও সেই উদ্যোগ বাতিল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সেই অবকাঠামো থাকলে একটি এফএসআরইউ বিকল হওয়ার পর এবারের মত বড় সংকট তৈরি হত না।
‘বিদ্যুৎকেন্দ্র হয়েছে, জ্বালানি নিশ্চিত হয়নি’
দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনার সমন্বয় ছিল না বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে কবে গ্যাস দেওয়া যাবে, তা নিশ্চিত করা হয়নি।
সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়ার কারণেও গ্রামাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় পার্থক্য না থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামান্য বাতাস বা রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কোনো কোনো এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকে না।
এ জন্য সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের দুর্বলতাকে দায়ী করেন তিনি।
জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য না থাকার কথাও প্রতিমন্ত্রী বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের আমদানি করা জ্বালানির বড় অংশ পশ্চিম এশিয়ানির্ভর হওয়ায় ওই অঞ্চলে সংকট দেখা দিলে দেশের সরবরাহেও প্রভাব পড়ে।
সরকার এখন জ্বালানির উৎসে বৈচিত্র্য আনার দিকে মনোযোগ দিয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
‘ভৌতিক বিল’ নিয়ে সংসদে প্রশ্ন
প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নান বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ না থাকলেও অনেক গ্রাহকের ‘অস্বাভাবিক অঙ্কের’ বিল আসছে।
নিজের বাসায় এক মাসে ২৫ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল আসার কথা সংসদে তুলে ধরেন এই এমপি।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, এ ধরনের অভিযোগ আগে বরং বেশি পাওয়া যেত; এখন ‘কিছুটা কমেছে’।
বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে আলাদা ডেস্ক, হটলাইন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাখার কথা তিনি সংসদকে বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রেই যৌক্তিক সমাধান করা সম্ভব হয়েছে।
তবে ‘বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ত্রুটি’ এখনো থাকতে পারে বলে স্বীকার করেন তিনি।
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবে সারাদেশে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সব জায়গায় স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা গেলে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে এ ধরনের সমস্যা কার্যত থাকবে না।
এ কাজে সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা চান তিনি।
এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে নুরুল ইসলামের মূল প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী জানান, জেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় গড় চাহিদা ৬৪ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে গড় সরবরাহ ৫৬ মেগাওয়াট। সে হিসাবে ঘাটতি প্রায় ৮ মেগাওয়াট।
তবে নেসকোর আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং নেই বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।
এই তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে নুরুল ইসলাম বলেন, তার নির্বাচনী এলাকাসহ দেশের অনেক জায়গায় দিনে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না।
৯ অগাস্ট দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে উঠেছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
বিদ্যুৎ সংকট কাটাতে সরকারের তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা জানতে চান এই সংসদ সদস্য।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহের সঙ্কটে দেশের মানুষ কষ্টে আছে। আগস্টে মানুষ যে দুর্ভোগে পড়েছে, সেপ্টেম্বরে যাতে একই পরিস্থিতি না থাকে, সে জন্য সরকার ‘সর্বোচ্চ চেষ্টা’ করছে।
