ক্যাফে থেকে গলির টং, দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে কফি
এই পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল ভূমিকা রাখছে সাশ্রয়ী দামের ৩-ইন-১ স্যাশে প্যাকেট।
ক্যাফে থেকে গলির টং—কফি এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
এক সময় দেশে অতিথি আপ্যায়ন বা আড্ডার প্রধান অনুষঙ্গ বলতে কেবলই ছিল এক কাপ ‘চা’। কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই চেনা অভ্যাসে এক বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।
শহরের অভিজাত এলাকার থিম-ভিত্তিক ক্যাফে থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার সাধারণ টং দোকান—সবখানেই এখন রাজত্ব করছে কফি।
বাঙালির এই কফিমুখী হয়ে ওঠার পেছনে কিছু স্পষ্ট সামাজিক ও মানসিক কারণ রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে ক্যাফে মানে শুধু কফি খাওয়া নয়, বরং এটি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া বা সময় কাটানোর একটি আধুনিক সামাজিক স্থান।
কাজের পরিবেশে ফ্রিল্যান্সার, চাকরিজীবী বা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাফেগুলো এখন 'রিমোট অফিস' বা পড়াশোনার জায়গায় পরিণত হয়েছে। এক কাপ কফি হাতে ল্যাপটপ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করার সংস্কৃতি দ্রুত ছড়াচ্ছে।
টং দোকানের 'বাজেট-ফ্রেন্ডলি' বিপণন কৌশলে এর প্রসার আরও বাড়ছে।
দেশের কফি সংস্কৃতির অন্যতম আকর্ষণীয় পরিবর্তন হল—এটি এখন সাধারণ চায়ের দোকান বা গলির টংগুলোতেও সহজে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে যেখানে আগে চা-ই ছিল একমাত্র পছন্দ, সেখানে কফি নতুন এক বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
এই পরিবর্তনের নেপথ্যে মূল ভূমিকা রাখছে সাশ্রয়ী দামের ৩-ইন-১ স্যাশে প্যাকেট। বড় জার কেনা বা ক্যাফেতে যাওয়ার ঝক্কি ছাড়াই ছোট স্যাশের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সহজে কফির স্বাদ নিতে পারছেন, যা নতুন গ্রাহকদের কফি পানে আগ্রহী করে তুলছে।
পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের সুবিধা পৌঁছানোর ফলে সেখানকার তরুণেরাও বৈশ্বিক কফি সংস্কৃতির সঙ্গে দ্রুত যুক্ত হতে পারছেন।
এই স্যাশে-নির্ভর কফির প্রসার এবং কফিকে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে আবুল খায়ের গ্রুপের ‘আমা কফি’। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাজারে আসার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই গুণগত মান ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের মাধ্যমে এটি বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।
উন্নত ব্রাজিলিয়ান কফি ব্লেন্ড দিয়ে তৈরি আমা কফি বর্তমানে ৩-ইন-১ স্যাশে সেগমেন্টে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় আমা কফির পণ্য তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ক্যাটাগরির কফি।
• ৩-ইন-১ (১৪ গ্রাম): সহজে কফির স্বাদ নেওয়ার উপযোগী ইন্সট্যান্ট কফি।
• সুগার ফ্রি (১৫ গ্রাম): যারা চিনি এড়িয়ে চলতে চান, তাদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসম্মত ইন্সট্যান্ট কফি।
• ক্লাসিক কফি (১ গ্রাম): যেকোনো সময় নিখাঁদ কফির স্বাদ উপভোগের সুযোগ।
এছাড়া বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য ভেন্ডিং মেশিন ও সলিউশন সরবরাহ করায় তৃণমূল পর্যায়েও কফির সহজলভ্যতা বহুগুণ বেড়েছে। গত বছরের তথ্য অনুযায়ী, কফি আমদানিতে আমা কফি বর্তমানে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানিকারক।
আমা কফির এই দ্রুত বৃদ্ধির পেছনে তাদের বিস্তৃত সরবরাহ ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ যেখানে কেনাকাটা বা আড্ডা দিতে যায়, ঠিক সেসব বিক্রয়কেন্দ্রে আমা কফি নিজেদের পণ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে কফি পানকে কেবল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, ক্যাম্পাসের আয়োজন, অফিসের বিরতি ও সামাজিক মেলবন্ধনের মতো বিভিন্ন উপলক্ষে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি ঢাকার ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘আমা কফি ক্যাম্পাস ফুটসাল ২০২৬’ টুর্নামেন্টটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
কফি বাজারে অনন্য এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এ আমা কফি অর্জন করেছে ‘মোস্ট ইমার্জিং ব্র্যান্ড অফ বাংলাদেশ-২০২৫’ সম্মাননা।
কফি বাজারের মূল পরিবর্তন বোঝা যায় গ্রাহকের দৈনন্দিন অভ্যাসে। বাজারের— কফি কোথায় পাওয়া যাচ্ছে, কারা পান করছেন এবং কীভাবে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। আমা ব্র্যান্ডের পথচলা সাধারণ মানুষের পানীয়র চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়েছে।
ডিসক্লেইমার
প্রতিবেদনটি একটি বিজ্ঞাপন বার্তা; সংবাদ প্রতিবেদন নয়। আর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি করা। এর কোনো কনটেন্টের দায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নয়।
