০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

যে কারনে আমরা আস্তিকরা নাস্তিকদের সাথে দ্বন্দ্বে যাব না [পর্ব -১]

পাহলোয়ান এরশাদ

Published : 01 Mar 2015, 02:27 PM

Updated : 23 Jun 2022, 11:39 PM


আমার আগের লেখায় নাস্তিকদের সাথে দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হওয়ার অনুরোধ করেছিলাম তাতে অনেকেই ক্ষিপ্ত হয়েছে তাদের জন্য আমার এই লেখা।

সৃষ্টিকর্তা ভূমণ্ডলের প্রাণী সমূহকে যে দৃষ্টিতে দেখেন ও লালান পালন করেন ঠিক একই দৃষ্টিতে সকল আস্তিকগনের একই দৃষ্টি ও আচরন করা একান্ত যুক্তিসিদ্ধ কারণ সৃষ্টিকর্তা নাস্তিকদের প্রতি অপ্রীতিকর আচরন করিলে সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসার যে দৃষ্টান্ত আমরা দেখতে পাই তা হত না। অর্থাৎ পরমদয়ালু আস্তিক –নাস্তিক, সৎ-অসৎ, দোষী নির্দোষ, উত্তমাধম সকল লোককে সমভাবে সমদৃষ্টিতে প্রতিপালন করছেন সেইরূপে ইশ্বরপ্রেমিরা যথাযত ভাবে সকল নাস্তিক, স্বজাতীয় বিজাতীয়, স্বধর্মী বিধর্মী, সকল জাতীর মানুষের প্রতি ঘৃণা, বিদ্বেষ, ক্ষোভ প্রদর্শন করতে পারে না। নাস্তিক কিংবা দুরাচারী দোষী মানুষ, পৃথিবীর যোগ্য না হত তাহলে সৃষ্টিকর্তা তাদের সৃষ্টি করত না বা একদিনেই তাদের বিনাশ করত। যেহেতু তা হয় নাই, এটা স্বীকার করে নিতে হবে যে আস্তিক-নাস্তিক, ধার্মিক-অধার্মিক, সৎ-অসৎ সকল প্রকার লোক পৃথিবীর যোগ্য এবং তাতে বিভিন্ন প্রনালীর লোকজন পাশাপাশি থাকাতে কোন না কোন উদেশ্য সাধন হচ্ছে। যেহেতু নাস্তিক দ্বারা আস্তিকের, অসৎ দ্বারা সৎ এবং অধার্মিক দ্বারা ধার্মিকের প্রকাশ পায়, যেমন ভাবে অন্ধকার দ্বারা আলোর প্রাকাশ পায় ।

সৃষ্টিকর্তা যেমন একপিতা হতে সমূদয় মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে সকল নারী ও পুরষ পরস্পরকে ভাই ও বোন বলে থাকে স্নেহ ও সমাদর করে থাকে সেই রূপ সকল আস্তিকগন নাস্তিকে সমাদর করিবে এবং তারা (নাস্তিকরা ) বিপদে পড়লে তাদেরকে সহায়তা প্রদান করবেন। কারন সকল আস্তিক মানবকল্যানে সমভাবে মঙ্গল কামনা করে।

চলবে …………।