এমপিওভুক্তির দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি নন-এমপিও শিক্ষকদের
“মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে আর কত সময় লাগবে,” বলেন ‘নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদ’ এর আহ্বায়ক।
নন-এমপিও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একযোগে এমপিওভুক্তির দাবি জানিয়েছে ‘নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদ’।
আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলেও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে দাবিদাওয়া তুলে ধরা হয়।
সংগঠনটির আহ্বায়ক শামিয়া জামান বলেন, “সরকার যদি শিক্ষক দিবসের আগে (৫ অক্টোবর) আমাদের দাবির বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত না নেয় এবং নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির ঘোষণা না দেয়, তাহলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হব।
“প্রয়োজনে দেশের সব নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীকে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলব।”
তিনি বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে এখনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আজকের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে আর কত সময় লাগবে?
“দেশে প্রায় ৩৫ হাজর ৩৩২টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে বিনা বেতনে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন এবং বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে দাবিও জানিয়ে আসছেন।”
‘নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদ’ এর সভাপতি ইব্রাহিম খলিল বলেন, “একজন শিক্ষক তার দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি ন্যায্য আর্থিক ও সামাজিক মর্যাদা পাবেন। একজন শিক্ষক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে তিনি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন, আর একই ধরনের দায়িত্ব পালন করা নন-এমপিও শিক্ষক বছরের পর বছর বিনা বেতনে থাকবেন, এই বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন।”
সংবাদ সম্মেলনে ‘নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদ’ এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
