০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সেই ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির মামলা, ৭ দিনের রিমান্ড

“তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও এলাকার ছবি এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন,” বলা হয় এজাহারে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 01 Oct 2026, 07:18 PM

Updated : 01 Oct 2026, 07:18 PM

গুপ্তচরবৃত্তির মামলায় ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামকে সাত দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ রিমান্ডের আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই হেলাল উদ্দিন এতথ্য দিয়েছেন।

নাশকতামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকতে পারে— এমন সন্দেহে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে উত্তরা থেকে রবিউলকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরের দিন ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তুলে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়।

সেদিন আদালত চারদিনের রিমান্ড দেন। এরপর রোববার তাকে আরও চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয় আদালত।

পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে বৃহস্পতিবার উত্তরা পশ্চিম থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন।

এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. নূর আলম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। রবিউলের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল চান। পরে আদালত সাত দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলার বলা হয়েছে, রবিউলের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পাসপোর্টের জন্ম তারিখে গড়মিল আছে। তিনি ভারতীয় নাগরিক হলেও তার পাসপোর্টে জন্মস্থান সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ আছে।

“জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রবিউল স্বীকার করেন, প্রায় ১০-১২ বছরে তিনি বাংলাদেশে একাধিকবার যাতায়াত করেছেন। কখনো পর্যটন ভিসা, কখনও ব্যবসার ভিস নিয়ে তিনি বাংলাদেশে আসেন।“

মামলায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিনি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের আড়ালে গুপ্তচরবৃত্তি করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করে আসছেন।

রবিউল ইসলাম সবশেষ গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন দাবি করে এজাহারে বলা হয়, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও বিধিনিষেধ থাকা এলাকার ছবি, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি বা তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।