১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩ কার্তিক ১৪৩৩

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ, মন্ত্রিসভার সায়

“আগামীকালকে হয়তো, সম্ভবত অধ্যাদেশটি জারি হবে,” বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ, মন্ত্রিসভার সায়

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 18 Oct 2026, 10:01 PM

Updated : 18 Oct 2026, 10:01 PM

বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশের খড়সা নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

রোববার বিকালে মন্ত্রিসভার ২৫তম বৈঠকে অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হওয়ার তথ্য দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক হয়েছে।

বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় পিআইডির কনফারেন্স হলে ব্রিফিংয়ে এসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।”

লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যাচাই সাপেক্ষে এটি কার্যকর হয়ে যাবে তুলে ধরে তিনি বলেন, “আগামীকালকে হয়তো, সম্ভবত অধ্যাদেশটি জারি হবে।”

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এটার প্রধান কারণ হচ্ছে যে সৌরবিদ্যুৎ আমাদের জন্য খুব অত্যাবশ্যকীয় ছিল। আগেও ছিল, এখন আরও বেশি অপরিহার্য হয়েছে।”

তিনি বলেন, “একটা যুদ্ধ শুরু হলে কী ধরনের, আমরা কতটা ভঙ্গুর অবস্থায় আছি, সেটার প্রমাণ হয়ে গেছে। তো সেই কারণ এইটির বিষয়ে সরকার অতিরিক্ত জোর দিয়েছে এবং এটাতে যত স্থানীয় জনসাধারণ, এটার মধ্যে যোগদান করতে পারবে।

“সরকারের যত বিল্ডিং আছে মানুষের সাধারণ মানুষের যত বিল্ডিং আছে এছাড়া যে সমস্ত পতিত জায়গা আছে সব জায়গায় সৌরদ্যুৎ প্রকল্প করা যাবে।”

দুই ধরনের মডেলে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প করার যাবে তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “একটা হল ওপেক্স মডেলে এবং আরেকটা সেই সাথে ক্যাপেক্স মডেলেও করা যাবে। ওপেক্স মডেলটা হচ্ছে যে শুধু অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচারটা কিছু লোকে বহন করবে।

“আর কিছুটা, কিছু ক্ষেত্রে হবে যে কেউ ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার দিয়ে এটা করবে এবং লং টার্ম চলবে। এটার জন্য আইনটা করা হয়েছে।”

নাসিমুল গনি বলেন, “এটা কয়েক দফায় আলাপ আলোচনা করে, এইটা আজকে কনফার্ম করা হল। এবং আমরা আশা করছি কালকে এটা আইন আকারে আসবে, অধ্যাদেশ আকারে আসবে।”

এছাড়া রটারডাম কনভেনশনে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার তথ্য দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

তিনি বলেন, ‘রটারডাম কনভেনশন অন দ্য প্রায়র ইনফর্মড কনসেন্ট প্রসিডিউর ফর সার্টেন হ্যাজার্ডাস কেমিক্যালস অ্যান্ড পেস্টিসাইডস ইন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড’ এ যোগদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নাসিমুল গনি বলেন, কনভেনশনটিকে সহজভাবে বলা যায়, অনেক ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক ও কীটনাশক আছে, এগুলোর ক্ষতিকর দিক আছে কিনা সেটা জেনে ‍বুঝে আমদানির সিদ্ধান্ত নিতেই এ কনভেনশন। এ আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বহু দেশে যোগ দিয়েছে, বাংলাদেশ বাইরে ছিল। সরকার পুরো জিনিসটা খতিয়ে দেখেছে এবং তাতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।