পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ: ফখরুল-আব্বাসসহ ৬৭ জনকে অব্যাহতি
গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।
দুই বছর আগে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের আরেকটি মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৬৭ জনকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।
আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন ।
মির্জা ফখরুলের আইনজীবী জাকির হোসেন জুয়েল এ তথ্য দিয়েছেন।
২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একদফা দাবিতে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘাতের ঘটনায় ৩১ অক্টোবর রমনা মডেল থানায় এই মামলা করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ।
বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের এই মামলায় অন্য যাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক বিএনপি নেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান ওমর, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিন-উন-নবী খান সোহেল, বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, বিএনপি নেতা নাসির উদ্দীন অসীম, নিপুণ রায় চৌধুরী।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের এক দফা দাবিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ ডাকে। একই দিনে আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ ডাকে।
ওইদিন বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অনেকে হতাহত হন।
ঘটনার দুইদিন পর রমনা মডেল থানায় দণ্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করেন রমনা মডেল থানার এসআই আ. আউয়াল।
এর আগে ২১ অগাস্ট একই ঘটনায় রমনা থানায় ফখরুল ও আব্বাসসহ ৬৫ জনের বিরুদ্ধে করা বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের একটি মামলায় সব আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
