নারী আসন: জ্যোতির মনোনয়নপত্র যাচাই শনিবার
নির্ধারিত সময়ের পর তার মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় আমলে নেয়নি কমিশন; পরে আদালতের নির্দেশে সেটি গ্রহণ করা হয়।
আদালতের আদেশে সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের প্রার্থী এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির মনোনয়নপত্র শনিবার (২ মে) যাচাই করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান এ সংক্রান্ত চিঠি নুসরাতকে পাঠিয়েছেন।
গত ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় বিকাল ৪টার পর নুসরাত মনোনয়নপত্র জমা দিলে তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে তিনি আদালতে গেলে আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বুধবার নারী আসনে ৪৯ জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।
আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি অনুযায়ী রাজনৈতিক দল ও জোটের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। সে অনুযায়ী এবার বিএনপি জোট ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন, আর স্বতন্ত্র জোটের একজনকে মনোনীত করে। তারা সবাই ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেন।
জামায়াত জোটের ১৩ জনের মধ্যে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে বাকি সবার মনোনয়নপত্র গৃহীত হলেও মনিরা শারমিনের মনোয়নপত্র বাতিল করা হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ (১) (চ) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসরগ্রহণের পর তিন বছর অতিবাহিত না হলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য হবেন।
মনিরার মনোনয়নপত্র বাতিল হবে বুঝতে পেরে এনসিপির পক্ষ থেকে ২১ এপ্রিল নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতিকে মনোনয়নপত্র দেওয়া হয়। সেদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমার সুযোগ ছিল।
কিন্তু জ্যোতির মনোনয়নপত্র জমা পড়ে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর। সে কারণে সেদিন তা আর আমলে নেননি রিটার্নিং অফিসার।
