২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগ’ ৫ ব্রিটিশ এমপির

“আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন এবং একটি স্থিতিশীল বেসামরিক সরকার গঠনের আহ্বানও জানাচ্ছি,” বলা হয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমসের চিঠিপত্র পাতায় প্রকাশিত তাদের চিঠিতে।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Oct 2025, 09:46 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:24 PM

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করে যুক্তরাজ্য সরকারের পাশাপাশি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাঁচজন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা। 

তাদের সঙ্গে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের একজন সদস্য এবং একজন আইনজীবীও রয়েছেন। 

শনিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমসের চিঠিপত্র পাতায় তারা বাংলাদেশ নিয়ে তাদের এমন উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

চিঠিতে বব ব্ল্যাকম্যান, জাস অ্যাথওয়াল, নিল কোয়েল, গুরিন্দর সিং ও লিউক একহার্স্ট এমপির নাম রয়েছে।

টাইমসের এই পাতায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নানা বিষয়ে নিজেদের ভাবনা, প্রতিক্রিয়া কিংবা দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন। 

এর মধ্যে ‘বাংলাদেশিদের অধিকার’ শিরোনামে নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন পাঁচ আইনপ্রণেতা, এক আইনজীবী এবং একজন রাজনীতিক। 

চিঠিতে তারা লেখেন, “এক বছরের বেশি সময় আগে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন হয়েছে। আমরা সেখানকার অবনতি ঘটতে থাকা মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”

আইনপ্রণেতারা বলেন, “এমন অনেক নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন রয়েছে, যেগুলোতে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ব্যর্থতা, জামিন দিতে অস্বীকৃতি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ধরপাকড়, আসন্ন নির্বাচনে কিছু দলকে নিষিদ্ধ করা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন চালানোসহ ক্রমবর্ধমান সহিংসতার বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।”

চিঠিতে বলা হয়, “আমরা ব্রিটিশ সরকার, বিশেষ করে পররাষ্ট্র দপ্তর, সেই সঙ্গে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাই, তারা যেন ন্যায়বিচার ও নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিতে এবং দায়মুক্তির অবসান ঘটাতে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে চাপ দেয়।

“আমরা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন এবং একটি স্থিতিশীল বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বানও জানাচ্ছি, যা দেশটিতে আস্থা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত জরুরি।” 

চিঠিতে নাম থাকা বাকি দুজনের একজন স্টিভেন পাওলস। আন্তর্জাতিক অপরাধ, প্রত্যর্পণ ও মানবাধিকার নিয়ে কাজের ক্ষেত্রে এ ফৌজদারি আইনজীবীর বেশ পরিচিতি রয়েছে। 

আরেকজন ব্যারোনেস স্মিথ অব লানফায়েস। তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসের সদস্য। তিনি ওয়েলসের স্বাধীনতাকামী রাজনৈতিক দল–প্লাইড কামরির রাজনীতিক।