হজযাত্রীদের জন্য শুভেচ্ছা উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী
উদ্বোধনী ফ্লাইটের হজযাত্রীদের জন্য ব্যাকপ্যাক, ইহরাম, সাবান, পানির পাত্র, পেট্রোলিয়াম জেলি, মিসওয়াক ও আজওয়া খেজুর পাঠিয়েছেন সরকারপ্রধান।
হজযাত্রীদের জন্য শুভেচ্ছা উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তার পক্ষ থেকে পাঠানো উপহারসামগ্রী ইতোমধ্যে ঢাকা হজ অফিসে পৌঁছেছে বলে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ঢাকায় হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আল্লাহর মেহমানদের জন্য কয়েক ধরনের উপহারসামগ্রী পাঠানো হয়েছে।”
উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে এক লাখ বোতল মিনারেল ওয়াটার; যা হজক্যাম্পে আসা হজযাত্রীদেরকে সরবরাহ করা হচ্ছে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উদ্বোধনী ফ্লাইটের হজযাত্রীদের জন্য ব্যাকপ্যাক, ইহরাম, সাবান, পানির পাত্র, পেট্রোলিয়াম জেলি, মিসওয়াক ও আজওয়া খেজুর পাঠানো হয়েছে।
এসব উপহারসামগ্রী প্যাকেট করা হয়েছে এবং তা উদ্বোধনী ফ্লাইটের হজযাত্রীদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে লোকমান হোসেন জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এবারের হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন করবেন। এরপর রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন যাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
প্রথম দিন মোট ১৪টি হজ ফ্লাইট ঢাকা থেকে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ছয়টি এবং সৌদিয়া ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ৪টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
ইতোমধ্যে হজের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। বিমান পরিবহন মন্ত্রী আফরোজা খানম ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার রাতে শাহজালাল বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে হজের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আশকোনায় হজক্যাম্পে গিয়ে তদারকি করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় গিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেছেন বলে জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালন করবেন। এদের মধ্যে সরকারি মাধ্যমে ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি মাধ্যম অর্থাৎ হজ এজেন্সির মাধ্যমে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ পালনের জন্য যাবেন।
আগামী ২১ মে প্রাক-হজ ফ্লাইট শেষ হবে। প্রি-হজ ফ্লাইট ২০৭টি; এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১০২টি, সৌদিয়া ৭৫ টি ও ফ্লাইনাস ৩০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে হজ হতে পারে।হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে এবং ১ জুলাই শেষ হবে।
