নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ৬০ কোটি ইউরো ঋণ দেবে জার্মানি
নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচির আওতায় আট বছরে এ ঋণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে জার্মানি।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ৬০ কোটি ইউরো ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জার্মানি।
প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে আট বছরে এ ঋণ সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত আখিম ট্র্যোস্টার।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় জানিয়েছে, বুধবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মুহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাত করেন রাষ্ট্রদূত। এসময় বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানির দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, একশ কোটি ইউরোরও বেশি অর্থ সহায়তা দিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী হয়ে উঠেছে জার্মানি। ইতোমধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ৫ কোটি ইউরো সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
“এই খাতে আগামী আট বছরে জার্মানি ৬০ কোটি ইউরো ঋণ দেবে। এটি অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচি। এ প্রকল্পে সহায়তা পাওয়া দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।”
আগের দিন মঙ্গলবার পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে বাংলাদেশকে আগামী এক দশকে ১০০ কোটি ইউরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন জার্মান রাষ্ট্রদূত।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজায়নে বেসরকারি খাতে আরও বেশি জার্মান বিনিয়োগ চান মুহাম্মদ ইউনূস। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহায়তাও চান তিনি।
ইউনূস বলেন, “দেশের জন্য নতুন যুগের সূচনাকারী ছাত্র ও তরুণদের পেছনে জাতি ঐক্যবদ্ধ। এখন আমাদের তাদের আকাঙ্ক্ষার দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। আমাদের তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।”
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী জার্মান রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বলেন, জার্মান ও বাংলাদেশের কোম্পানিগুলো যৌথভাবে একটি ‘গ্রিন করিডোর’ তৈরি করতে পারে।
সভায় এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ, ইআরডির অতিরিক্ত সচিব উত্তম কুমার কর্মকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক কাজী রাসেল পারভেজ এবং জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন জায়ান জানোভস্কি উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন-
