ফাঁকা গোলাপি বাস, লোকাল বাসের গেইটে ঝুলছেন নারী
আলোচনায় আসা গোলাপি বাস সেবা চালুর পরদিন সড়কে সমন্বয়হীনতা এবং দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থেকে বাসের দেখা না পাওয়ার কথা বলছেন যাত্রী ও সংশ্লিষ্টরা।
সকাল ৯টা। রাজধানীর শ্যামলী বাসস্ট্যান্ড। একটি গোলাপি বাস পেরিয়ে গেল এ স্ট্যান্ড। মিরপুর ১০ নম্বর থেকে ছেড়ে আসা মতিঝিলগামী বাসটির বাইরে থেকে দেখা গেল দোতলার প্রায় সব আসনই ফাঁকা। নিচতলায় ছিলেন চার থেকে পাঁচজন নারী যাত্রী।
শুধু নারীদের জন্য শুরু করা বিশেষ এ বাস সেবা উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকালে অফিস সময়কার চিত্র ছিল এমনটি। এমনকি পেছনের দরজায় একজন পুরুষ যাত্রী এবং চালকের সহকারীর আসনে আরেকজন পুরুষকেও দেখা গেল।
শ্যামলী থেকে বাসটির পিছু পিছু কয়েকটি বাসস্ট্যান্ড অতিক্রম করে সাড়ে ৯টার দিকে আড়ং ট্রাফিক সিগনাল পার হয়ে সংসদ ভবন পর্যন্ত গিয়ে দেখা যায়, পুরো সময়টায় বাসটিতে কোনো যাত্রী ওঠানামা করেননি। মাঝের স্টপেজগুলোতে যাত্রী না থাকায় বাসটি থামেওনি। ফলে চালক বা সহকারীর সঙ্গে কথাও বলা যায়নি।
সংসদ ভবন পেরিয়ে ফার্মগেইট এলাকায় গিয়ে দেখা গেল অনেক নারী যাত্রী সেখানে বাসের অপেক্ষায়। তবে তাদের বেশ কয়েকজনকে বিশেষায়িত এ বাসে ওঠার আগ্রহ করতে দেখা যায়নি। অন্য দিনের মতোই সাধারণ গণপরিবহনের অপেক্ষায় ছিলেন তারা।
সকাল সাড়ে ৯টার কিছু পর বাসের অপেক্ষায় থাকা আসমা আক্তার বললেন, “মহিলা বাসের জন্যই যে দাঁড়িয়ে আছি, বিষয়টা এমন না। প্রতিদিনের মত কাজে যাব বলে বের হয়েছি। প্রতিদিন যে সময়ে বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করি, আজও তাই করছি।”
নির্ধারিত গন্তব্যে যায় এমন বাস যেটি আগে আসবে সেটিতে ওঠার কথা বলেন তিনি।
“নির্দিষ্ট মহিলা বাসের আশায় থাকলে কখন আসবে, কখন অফিসে পৌঁছাব, সময়মত যেতে পারব কি না সন্দেহ। যদি দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে মহিলাদের গাড়ি আসে, তাহলে উঠে যাব,” যোগ করেন তিনি।
তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সোনালী খাতুন বলেন, “অল্পসংখ্যক বাস হওয়ায় অফিস সময়ে এই বাসের অপেক্ষায় থাকাটা ঠিক হবে না। কখন একটা গাড়ি আসবে, সেটাও তো নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। সরকারের উচিত বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।”
মঙ্গলবার উদ্বোধন হওয়া নারীদের জন্য বিশেষায়িত ‘পিংক’ বা গোলাপি বাস বেশ আলোচনা তৈরি করেছে। তবে রুট অনুযায়ী ও দীর্ঘ বিরতির কারণে যাত্রী চাহিদার তুলনায় বাসের সংখ্যা কম হওয়ার কথা বলছেন যাত্রীরা।
একই সঙ্গে বিভিন্ন রুটে এসব বাস চলাচলে সময়সূচি ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার চিত্রও দেখা গেছে এ সেবা শুরুর দ্বিতীয় দিনে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্ধারিত স্টপেজ থেকে ছাড়ার ছয় ঘণ্টা পরও কোনো কোনো বাস ফিরে আসেনি। ফলে বুধবার সকালে অফিসগামী নারীসহ অন্য নারী যাত্রীদের অনেকে গোলাপি বাসে চড়ার পরিকল্পনা নিয়ে বাসা থেকে বের হলেও শেষ পর্যন্ত সাধারণ গণপরিবহনেই তাদের গন্তব্যের পথে রওনা হতে হয়।
দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে যাত্রী পরিবহনের বাস্তবতায় গোলাপি বাসের চালক ও সহকারীদেরও কিছুটা অনভ্যস্ততায় পড়তে হচ্ছে। গাড়ি চালানোর দক্ষতা থাকলেও যানজটসহ সড়কের নানা পরিস্থিতিতে সময় ধরে চলাচল করা সম্ভব না হওয়ার কথা বলছেন তারা।
এতে একদিকে গোলাপি বাসের অপেক্ষায় স্টপেজে যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে; অন্যদিকে কোনো কোনো সময়ে তুলনামূলক খালি বাসকেও সড়কে চলতে দেখা গেছে।
দেশে নারীদের জন্য নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে মঙ্গলবার ঢাকা, বগুড়া ও চট্টগ্রামে মোট ১৪টি গোলাপি বাস চলাচল শুরু হয়।
এর মধ্যে ঢাকার ১০টি রুটে একটি একতলা ও নয়টি দ্বিতল বাস চলবে। বগুড়ায় দুটি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামে একটি রুটে দুটি দ্বিতল বাস চলাচল করবে। তিন জেলায় মোট ১৩৪টি নির্ধারিত স্থানে বাসগুলো থামবে যাত্রী ওঠানামা করানোর জন্য।
উদ্বোধনের পরদিন বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত রাজধানীর নতুন বাজার, কোকাকোলা মোড়, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, বিজয় সরণি ও মহাখালী এলাকায় ঘুরে একটি বাসের বেশি দেখা যায়নি। যদিও এসব বাসে যাত্রীর সংখ্যাও ছিল তুলনামূলক কম।
নতুন এ সেবাকে ঘিরে নারীদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেলেও দ্বিতীয় দিনের চিত্রে যাত্রী চাহিদা ও বাসের সংখ্যা, নির্ধারিত সময়সূচি এবং বাস্তব সড়ক পরিস্থিতির মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকার কথা বলছেন যাত্রীরা।
ফলে নারীদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন হিসেবে গোলাপি বাসের সেবা কার্যকর করতে শুধু বাস চালু করাই নয়; সময়সূচি, রুট ব্যবস্থাপনা ও পর্যাপ্ত বাস নিশ্চিত করার বিষয়েও নজর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন যাত্রীদের পাশাপাশি পরিবহন খাতের বিশ্লেষকরা।
প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর নির্ধারিত সড়কে চলাচল ও যাত্রী ওঠানামা করার কথা গোলাপি বাসের। সেই অনুযায়ী রাজধানীর নতুন বাজার (বাড্ডা) এলাকার কোকাকোলা মোড় থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে একটি বাস চলাচল করার কথা। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ওই স্টপেজে গিয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও গোলাপি বাসের দেখা মেলেনি। এ সময় সেখানকার সাধারণ গণপরিবহনে নারী যাত্রীদের চলাচল করতে দেখা যায়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গোলাপি বাসের অপেক্ষায় ছিলেন কলেজছাত্রী স্নিগ্ধা। বলেন, “শুনছি গোলাপি বাস ছাড়ছে, কিন্তু দেখতেছি না। সবতো দেখি আগের বাসগুলা। গোলাপি বাসে উঠতে পারলে ভালো লাগত। আমাদের (নারীদের) জন্য বাস চালু করেছে, সেটাও আবার শুনতেছি সব মেয়েদের মাধ্যমে চলবে।”
অনেকক্ষণ অপেক্ষার পরও বাস না পেয়ে সাধারণ বাসে চলাচলের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে স্বগতোক্তি করলেন তিনি। বললেন, “ফেইসবুকে দেখতেছি মানুষ অনেক হাসি-ঠাট্টা করতেছে। এইগুলা কি ঠিক বলেন?”
প্রায় আড়াই ঘণ্টা কোকাকোলা মোড়ে অবস্থান করার সময় অন্তত ১০ জন নারী যাত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনজন কথা বলতে রাজি হন। তাদের দুজন নতুন বাস সেবার বিষয়ে আগে থেকেই শুনেছেন।
অপরজন বাড্ডা লিংক রোডের বাসিন্দা মাঝবয়সি গৃহিণী রোজী বলেন, “আমিতো জানি না কবে থেকে এটা চালু করছে। ফেইসবুকে কী ছাড়ছে, এই বিষয়ে জানি না। ছাড়লেতো ভালোই। এটা কি শুধু মেয়েদের জন্য, নাকি অন্যরাও উঠতে পারবে?”
নারী চালক ও সহকারী দিয়ে বাস পরিচালনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকার যদি এমন বাস ছাড়ে, যেখানে মেয়ে চালক, মেয়ে হেলপার, তাহলে ভালো। মেয়েদের কর্মসংস্থানও হল।”
তবে পরিবার নিয়ে চলাচলের বেলায় এ বিশেষ সেবা কতটা কাজে আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে রোজীর।
কোকাকোলা মোড়ে ওই সময় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট মোর্শেদা খাতুন গোলাপি বাস চালুকে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, “একজন মেয়ে সকালে এসে আমাকে জিজ্ঞেস করছিল, ‘গোলাপি বাস কি চলে গেছে?’ আমি বললাম, ২০ মিনিট আগেই চলে গেছে।”
বিকাল ৪টার দিকে আবার কথা হয় এই নারী সার্জেন্টের সঙ্গে। তখন সকাল থেকে গোলাপি বাসের চলাচল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি ৭টায় ডিউটি শুরু করেছি। ৮টার দিকে একটা বাস ছেড়ে যেতে দেখেছি। ২টা পর্যন্ত ডিউটিতে ছিলাম। এর মধ্যে আর একবারও গোলাপি বাস আসতে-যেতে দেখিনি।”
সড়কে নারী হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা ও ট্রাফিক সামলানোর অভিজ্ঞতার আলোকে মোর্শেদা বলেন, “নারী চালকরা দক্ষ হলেও ঢাকার সড়ক বুঝতে তাদের সময় লাগবে। ঢাকার রাস্তার যানজট ও এই রাস্তার (বাড্ডা-মতিঝিল) খানাখন্দের সঙ্গে লড়াই করে নতুন চালক ও সহকারীদের সময় ব্যবস্থাপনা বেশ কঠিন হবে। এজন্য যাত্রীরা বাসের অপেক্ষায় থাকলেও সময়মত তারা বাস পাবে না।”
‘চালক-সহকারীদের সময় দিতে হবে’, করতে হবে নজরদারি
নারী চালক ও সহকারীদের রাজধানীর সড়কের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি পুরো সেবা কার্যক্রমকে কঠোর নজরদারির আওতায় আনার তাগিদ দিয়েছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শামসুল হক।
তার মতে, বড় আয়োজন করে সেবা উদ্বোধন করলেই হবে না; যাত্রী ধরে রাখতে হলে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলা এবং সেবার মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
অতীতে চট্টগ্রামে এ ধরনের সেবা চালুর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) এই শিক্ষক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শুধু তদারকির অভাবে অনেক ভালো উদ্যোগও টেকসই হয়নি।
“সময়মত বাস আসা-যাওয়ার সুনির্দিষ্ট সূচি এবং ফ্রিকোয়েন্সি বজায় না থাকলে যাত্রীদের ভরসা কমে যায়। এর ফলে যাত্রী কমে ফাঁকা বাস চলতে বাধ্য হয়, যা একপর্যায়ে অপব্যবহার বা অনিয়মের দিকে নিয়ে যেতে পারে।”
শুধু নতুন বাস কেনা বা সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মানুষকে সেবা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বিআরটিসির প্রতি তাগিদ দেন তিনি।
মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে বাসে জিপিএস ট্র্যাকিং ও নিয়মিত ফিডব্যাক ব্যবস্থা চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন সড়ক যোগাযোগ খাতের এই বিশেষজ্ঞ।
তার ভাষ্য, “বাসে জিপিএস ট্র্যাকিং থাকলে গাড়ি নির্ধারিত রুটে চলছে কি না এবং সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সহজেই মনিটর করা সম্ভব। একই সঙ্গে চালকরাও সঠিক পথের দিকনির্দেশনা পাবেন।”
নারীদের জন্য বিশেষায়িত এই বাস সার্ভিস চালুর প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরামর্শক হিসেবে যুক্ত থাকা শামসুল হক মনে করেন, রাজধানীর জটিল সড়ক ও রুটের সঙ্গে চালক-সহকারীদের অভ্যস্ত হতে কিছুটা সময় প্রয়োজন।
“নিয়ম মেনে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে নারীরা বেশ আন্তরিক ও দায়িত্বশীল (কমপ্লায়েন্ট) প্রমাণিত হতে পারেন।”
নারী চালকদের দক্ষতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “চালক হিসেবে তাদের দক্ষতা খুব ভালো প্রমাণিত হয়েছে। তবে এবারের সার্ভিসটিতে কাজ গুছিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের কিছুটা সময় দেওয়া এবং একই সঙ্গে স্মার্ট মনিটরিং বজায় রাখা জরুরি।”
সার্বিক বিষয়ে জানতে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ পরিচালনা কমিটির প্রধান ও বিআরটিসির মহাব্যবস্থাপক (কারিগরি) মেজর নুসরাত শাহনাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
পরে জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সার্ভিস সংশ্লিষ্ট সবাই বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। এত দ্রুত ভালো-মন্দ নির্ধারণ করা সমীচীন নয়।
“একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষণের পরে সমস্যাগুলো ও সুবিধাগুলো চিহ্নিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়গুলো গণমাধ্যমকে জানাব। তখন চিহ্নিত সমস্যাগুলোর সমাধানও থাকবে।”
নতুন কোস্টার বাস কেনার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গাড়ির সংখ্যা বাড়লে সময়ও সমন্বয় করা যাবে।”
চালক-সহকারীদের বিড়ম্বনা
উদ্বোধনের দিন থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে গোলাপি বাস, এর চালক-সহকারী ও যাত্রীদের নিয়ে নানা ধরনের ট্রল ও নেতিবাচক প্রচার চলছে।
রাজধানীর সড়কে বাস চালাতে গিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন নারী চালকরা। তাদের একজন নারী চালকদের প্রশিক্ষক ও গোলাপি বাসের চালক রাবেয়া খাতুন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমাদের আশপাশের পরিবেশ সব সময় অনুকূল থাকে না। প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই আমাদের যাত্রা শুরু করতে হবে।”
নারী চালক ও সহকারীদের ওপর অতিরিক্ত প্রচারের নেতিবাচক প্রভাবের কথা বলেছেন জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা।
তিনি বলেন, “সেবাচালু হওয়ার পর থেকেই সড়কে নামানো বাসগুলোকে পুরাতন উল্লেখ করে এক ধরনের নেতিবাচক প্রচার চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে স্টাফদের নিয়ে নানা ট্রল ও নেতিবাচক প্রচার তাদের মনোবল অনেকটা ক্ষুণ্ন করেছে।”
বুধবার একটি ডিপো থেকে বাস বের করার সময় সাংবাদিকদের একটি দল সেটিকে ঘিরে ধরলে চালক ও সহকারীরা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন বলে তুলে ধরেন মোস্তাকিম। বলেন, “এতে চালক ও সহকারীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তারাতো এভাবে মিডিয়ায় আসতে চায় না। অতিরিক্ত প্রচারের কারণে তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে।”
