‘ভুল বক্তব্য প্রচার’, গণমাধ্যমকে ভয় পাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনার
“কোথাও আমি বলিনি শতকরা ৮০ ভাগ ভোট পড়বে। তবে কোনো কোনো গণমাধ্যম তাই প্রচার করেছে। অনেকে আবার কলামও লিখেছেন”, বলেন মো. আলমগীর।
গণমাধ্যমকর্মীদের যে কথা বলেন না, সেটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয় বলে অভিযোগ করেছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। এ কারণে গণমাধ্যমে কথা বলতে ভয় পাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে রোববার বিকেলে গোপালগঞ্জ ডিসির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
আলমগীর বলেন, “গণমাধ্যমে কথা বলা রিস্ক। কোথাও আমি বলিনি শতকরা ৮০ ভাগ ভোট পড়বে। তবে কোনো কোনো গণমাধ্যম তাই প্রচার করেছে। অনেকে আবার কলামও লিখেছেন। এজন্য আমি গণমাধ্যমকে ভয় পাই।”
কী বলেছিলেন, সেটিও তুলে ধরেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, “কথাগুলো বলা অভিজ্ঞতার আলোকে। পূর্বে আমরা দেখেছি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সবসময় ভোটের হার বেশি পড়ে।”
দুপুরে গোপালগঞ্জ পৌঁছে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধ বেদীতে শ্রদ্ধা জানান আলমগীর।
ডিসি কাজী মাহবুবুল আলম, পুলিশ সুপার আল বেলী আফিফা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়জুল মোল্যা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পরে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নির্বাচন কমিশনার আলমগীর। তিনি বলেন, “জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
“জাতীয় নির্বাচনে একদিনে ভোট হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য থাকে না। তবে উপজেলা নির্বাচন পর্যায়ক্রমে হওয়ায় পর্যাপ্ত সদস্য থাকবে।”
উপজেলায় এখন পর্যন্ত চার ধাপের ভোটের তফসিল ঘোষণা হয়েছে।
প্রথম ধাপে দেড়শ উপজেলায় ভোট হবে আগামী ৮ মে। এই ধাপে গোপালঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া ও কোটালিপাড়ায় ভোট হবে।
দ্বিতীয় ধাপে ১৬১ উপজেলায় ভোট হবে আগামী ২১ মে।
তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ভোট হবে আগামী ২৯ মে।
চতুর্থ ধাপে আগামী ৫ জুন ভোট হবে ৫৪ উপজেলায়।
