বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘পাইলিন’
বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে, যে জন্য দেশের সমুদ্র বন্দরগুলোকে দুই নম্বর সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এই ঝড়টি ভারতের উড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানার শঙ্কা থেকে সেখানে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে।
এর গতিপথ ভারত উপকূলের দিকে হলেও ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্র বন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সঙ্কেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গেও ভারী বৃষ্টিপাতের আভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ। ১২ অক্টোবর শনিবার এটি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে তাদের ধারণা।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বুলেটিনে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
এটি বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮০০ কিলোমিটার দক্ষিণ, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আব্দুর রহমান খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘পাইলিন’ সামান্য উত্তরপশ্চিম দিকে সরে ঘনীভূত হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে এবং একই এলাকায় অবস্থান করছে।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।
