পিএসসির সচিবকে আদালত অবমাননার রুল
আদালতের আদেশ ৬০ দিনের মধ্যেও নিষ্পত্তি করেনি পিএসসি।
বিসিএসের ফলের তথ্য জানানোর বিষয়ে একটি আদেশ অমান্য করায় কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না, তা সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সচিবসহ দুই কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদেশে পিএসসির সচিব মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরিনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিটি আবেদন এবং আদালত অবমাননার আবেদনের আইনজীবী ছিলেন আনিচুর রহমান।
আদালত অবমাননার আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, শাহেদ ইকবাল নামের এক ব্যক্তি ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট পিএসসি বরাবর একটি আবেদন করেন যেখানে তিনি বিসিএস পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর এবং চূড়ান্ত নির্বাচিতদের মেধা তালিকায় তার অবস্থান জানাতে বলেন।
আইনজীবী আনিচুর বলেন, পিএসসি কর্তৃপক্ষ পরে এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় একই বছর শাহেদ ইকবাল একটি রিট আবেদন করেন যেখানে তিনি ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্ট পিএসসি বরাবর দেওয়া আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশনা চান। আবেদনে তিনি ৩০, ৩১ ও ৩৩তম বিসিএসের চূড়ান্ত নির্বাচিতদের তালিকায় তার (শাহেদ ইকবাল) প্রাপ্ত নম্বরসহ মেধাক্রম প্রকাশ করারও নির্দেশনাও চান।
একইসঙ্গে আগামী বিসিএসেও মেধা তালিকায় থাকা অংশগ্রহণকারীদের মেধাক্রম ও প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ এবং চূড়ান্ত মেধা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর প্রকাশেরও নির্দেশনা চান।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত শুনানি শেষে চলতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মুবিনা আসাফের হাই কোর্ট বঞ্চ আদেশ দেয়। আদেশে আবেদনকারী শাহেদ ইকবালের ২০২৪ সালের ২৮ অগাস্টের আবেদন নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদেশ পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এই আবেদন নিষ্পত্তি করতে বলা হয়।
কিন্তু আদালতের সে আদেশের পরও ওই আবেদনের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আবেদনকারী শাহেদ ইকবাল অবমাননার আবেদন করেন, বলেন তার আইনজীবী আনিচুর।
