২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮ কার্তিক ১৪৩৩

সৌদিতে নিহত শাহেদের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার মাদলা গ্রামে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 23 Oct 2026, 11:47 AM

Updated : 23 Oct 2026, 11:47 AM

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনি বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি হামলায় নিহত শাহেদের আহম্মেদের মরদেহ বাংলাদেশে পৌঁছেছে।

মরদেহ বহনকারী ইউএস-বাংলার ফ্লাইটটি শুক্রবার সকাল ৮টা ২২ মিনিটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করেন স্বজনরা। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রিয়াদের স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটে মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি জেদ্দার বাদশা আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়।

মরদেহ হস্তান্তরকালে নিহতের পরিবারকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয় বলে শুক্রবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

এর মধ্যে লাশ দাফন ও যাতায়াত বাবদ ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানোর কারণে বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া নিহতের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ‘সা’দ আল ঈসা কন্ট্রাক্টিং কোম্পানি’ থেকে তার বকেয়া বেতন-ভাতাদি ও সার্ভিস বেনিফিট বাবদ ২৭ হাজার ৩৯৫ সৌদি রিয়াল (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯ লাখ টাকা) রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে।

এ অর্থ শিগগির ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে নিহতের পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

নিহত কর্মীর বিএমইটি কার্ড বা বৈধতার পরিচয়পত্র থাকা সাপেক্ষে পরবর্তীতে আরও তিন লাখ টাকা পেতে পারেন।

পাশাপাশি বীমা কাভারেজে থাকা সাপেক্ষে তার পরিবার আরও ১০ লাখ টাকা আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

এর আগে গত ১০ অক্টোবর বিকাল সোয়া ৩টায় বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালায় ইয়েমেনি হুতি গোষ্ঠী।

ওই হামলায় শাহেদসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের আরো ১১ জন নিহত হন।

শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার মাদলা গ্রামে। হামলায় নিহত অন্যজন কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদরপুর গ্রামের ওমরাহ ভিসাধারী নাসরুল্লাহ বদরপুরি। তিনি ট্রানজিটে রিয়াদ হয়ে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ ছিলেন।