যুদ্ধাপরাধ: আজহারের সাজা টিকবে? রায়ের অপেক্ষা
২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
যুদ্ধাপরাধ মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকবে কি না, তা জানা যাবে মঙ্গলবার।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারকের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে।
ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি শেষে গত ৮ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ২৭ মে দিন ঠিক করে দেয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
রায়ে বলা হয়েছিল, একাত্তরে এ টি এম আজহারুল ইসলাম ছিলেন ইসলামী ছাত্র সংঘের জেলা কমিটির সভাপতি। সে সময় তার নেতৃত্বেই বৃহত্তর রংপুরে গণহত্যা চালিয়ে ১৪ শ’র বেশি মানুষকে হত্যা, বহু নারীকে ধর্ষণ ও অপহরণ, নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছিল।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি আপিল করেন আজহার। শুনানি শেষে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর আপিল বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে।
২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর তা পুনর্বিবেচনা চেয়ে ওই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম।
জুলাই অভ্যুত্থানে সরকার বদলের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আপিল বিভাগ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রিভিউ শুনে ফের আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত দেয়।
এটাই মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রথম মামলা, যা রিভিউ পর্যায়ে আসার পর ফের আপিল শুনানির অনুমতি পায়।
একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ২০১২ সালের ২২ অগাস্ট মগবাজারের বাসা থেকে আজহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তখন থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।
আজহারের মুক্তির দাবিতে সম্প্রতি সারাদেশে সমাবেশ, বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে তার দল জামায়াতে ইসলামী।
পুরনো খবর
