আশুলিয়ায় শান্তা হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
দণ্ডিত পলাতক রয়েছে।
ষোল বছর আগে ঢাকার আশুলিয়ায় শান্তা ইসলামকে খুনের দায়ে স্বামী বেলাল হোসেন কাজী ওরফে সালমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নি।
অতিরিক্ত পিপি খান মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, “যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি সালমানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামি পলাতক থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সালমান বাইপাইলে সাইকেল দোকানে, আর শান্তা গার্মেন্টে চাকরি করতেন। তারা আশুলিয়ায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৯ সালের ৫ জুন আশুলিয়ায় শান্তা ইসলামকে গলাটিপে হত্যা করেন সালমান।
এ ঘটনায় ওইদিনই আশুলিয়া থানায় মামলা করেন বাড়িওয়ালা অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আব্দুল মান্নান। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর সালমানের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন আশুলিয়া থানার এসআই খন্দকার সামছুজ্জামান। এরপর ৮ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।
বিচার চলাকালে আদালত ১৫ সাক্ষীর মধ্যে ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার রায় দেওয়া হলো।
