মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রের লাশ: ২ শিক্ষক কারাগারে
নাঈম ওই মাদ্রাসায় পড়তে না চাওয়ায় আসামিরা তার ওপর নির্যাতন চালান, অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।
রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসা থেকে শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান মঙ্গলবার এ আদেশ দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আব্দুস ছবুর তথ্য দিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার শিক্ষক মো. জাকারিয়া (৩৫) ও মো. জোবায়ের আহম্মেদ (২০)।
এসআই ছবুর বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার এসআই আমজাদ হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
সোমবার দুপুরে রওয়াজাতুল উলূম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে মো. নাঈম শেখ নামে ১৩ বছরের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা নাজমা বেগম শিক্ষক জাকারিয়া ও জোবায়েরকে আসামি করে মামলা করেন। এরপর রাত ১০টার দিকে সেই মাদ্রাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, দুই শিক্ষক বিভিন্ন কারণে নাঈমকে নির্যাতন করতেন। নাঈম বিষয়টি তার মাকে বলেছিল। পরে ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন নাজমা বেগম। কিন্তু আসামিরা মাদ্রাসা থেকে ছাড়পত্র দেননি। নাঈম ওই মাদ্রাসায় পড়তে না চাওয়ায় আসামিরা তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সোমবার দুপুরে নাঈম মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানায়। তখন তাকে মারধর করা হয়। পরে তাকে ‘শ্বাসরোধে হত্যা করেন’ আসামিরা।
আরও পড়ুন-
