১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একজন সমাজমনস্ক লেখক ও মানবাধিকারকর্মী। তার লেখালেখিতে মানবাধিকার, রাজনীতি, প্রান্তিক মানুষের বাস্তবতা এবং নারী অধিকারের বিষয়গুলো বারবার উঠে আসে। বাংলাদেশের প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকগুলোতে তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। সংস্কৃতিমনা পরিবারে বেড়ে ওঠা বিদিশা দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার চর্চা এবং বিশেষত প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকার নিয়ে ধারাবাহিকভাবে লিখে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন স্পেশাল চাইল্ড—এরিক এরশাদের মা, যা তার লেখালেখি ও সমাজকর্মে একটি গভীর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করেছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের সীমা ছাড়িয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছেন একজন দায়িত্বশীল, সংবেদনশীল ও সচেতন লেখক হিসেবে। পেশাগত জীবনে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও জীবনের নানা বাঁক পেরিয়ে তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সহধর্মিণী হিসেবে পরিচিত হন। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন সত্ত্বেও তার বর্তমান পরিচয়ের কেন্দ্রে রয়েছে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য নিজ হাতে গড়ে তোলা ‘বিদিশা ফাউন্ডেশন’। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় পার্টির একটি অংশকে সংস্কারের মাধ্যমে মূলধারায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
বাবার কাঁধে ছেলের লাশ নয়, বরং ভূমধ্যসাগরের ঢেউয়ে ভেসে যাওয়া লাশের অপেক্ষায় কাটে বছরের পর বছর। কেন আমাদের তরুণরা এমন জীবন বাজি ধরছে?
যখন সরকারি হাসপাতালে জীবন বাঁচাতে বেসরকারি দাক্ষিণ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়, তখন তা আর সাফল্যের গল্প থাকে না, হয়ে দাঁড়ায় চরম লজ্জার।
দীর্ঘ দেড় যুগের অন্ধকারের পর রাজনীতি কি সত্যিই সংসদে ফিরল? স্পিকারের ভূমিকা, বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আর মুক্তিযুদ্ধের অমীমাংসিত প্রশ্নের ভিড়ে এই সংসদ কি পারবে প্রকৃত জবাবদিহির কেন্দ্র হতে?
দ্রব্যমূল্য নিয়ে হাহাকার, মেধাভিত্তিক চাকরির স্বপ্ন আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আকাঙ্ক্ষা—সব মিলিয়ে বিএনপি কি হতে পারবে আগামী দিনের কাণ্ডারি?