Published : 18 Jun 2013, 03:03 PM
চট্টগ্রামের একটি বস্তিতে জন্ম নেয়া পান্নার আঁকা এই চিত্রকর্ম যে প্রদর্শনীতে স্থান পাবে সেখানে আরো ৯১টি দেশের শিশুদের চিত্রকর্ম থাকবে পাশাপাশি। ২০ হাজারের বেশি শিশুর চিত্রকর্ম থেকে চূড়ান্তভাবে ওই ৫২০টি ছবি মনোনীত করা হয়েছে।
জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা- জাইকার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিশুদের জন্য কাজ করা স্বেচ্ছাসেবক নানা হোসোকাওয়ার মাধ্যমে পান্নাকে ‘আবিষ্কার’ করেছে তারা।
জাপানের টোকিওর কানাগাওয়ায় এই দ্বিবার্ষিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। আর তা চলবে ২৯ জুন থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত।
রোববার জাইকার প্রধান আবাসিক প্রতিনিধি তাকাও তোদার কাছে ওই শিশুর কথা তুলে ধরেন নানা হোসোকাওয়া।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নানাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, “আমার প্রত্যাশা পান্না শিক্ষার মর্যাদা বুঝতে পারবে। পাশাপাশি যারা অবর্ণনীয় কষ্টে দৈনন্দিন জীবনযাপন করছে, বেড়ে উঠছে তাদের কাছে একটি বার্তাও পৌঁছাবে পান্নার কাজের মাধ্যমে। আর তা হলো চেষ্টা করলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।”
বাবা মায়ের দ্বিতীয় সন্তান পান্না তাদের বস্তির পাশেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণ হলেই চট্টগ্রামের ওই বিদ্যালয়টি পানিতে তলিয়ে যায় বলে জাইকা জানিয়েছে।
১৯৮১ সাল থেকে নিয়মিত দুই বছরের বিরতিতে ‘কানাগাওয়া বিশ্ব শিশু চিত্র প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। শিশুদের স্বপ্ন এবং তাদের সৃজনশীল কাজ তুলে ধরাই এ আয়োজনের লক্ষ্য।