পশ্চিম তীরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৩ ফিলিস্তিনি নারী নিহত
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম পশ্চিম তীরে ইরানি হামলায় ফিলিস্তিনিরা নিহত হলো।
ফিলিস্তিনের ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিন ফিলিস্তিনি নারী নিহত হয়েছে।
বুধবার স্থানীয় সময় রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই প্রথম পশ্চিম তীরে ইরানি হামলায় ফিলিস্তিনিরা নিহত হলো।
ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ডব্লিউএএফএ-র বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি হেবরনের দক্ষিণপশ্চিমে বেইত আওয়া শহরের একটি সেলুনে আঘাত হানে। এতে আরও ১৩ জন আহত হয়, তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের ধারণা ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ঘটনাটি ঘটেছে। ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড ছোট ছোট বোমায় বিভক্ত হয়ে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে আঘাত হানে।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলজুড়ে এ পর্যন্ত অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। ইরান প্রতিদিন ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালেও ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোকে তারা সচেতনভাবে লক্ষ্যস্থল করেছে এমন কোনো প্রমাণ নেই।
ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় অধিকাংশ ইসরায়েলি বোম্ব শেল্টারে গিয়ে আশ্রয় নেয়। এ কারণে তারা ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র ও বাধা দিয়ে ধ্বংস করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে পারে। কিন্তু ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে এ ধরনের কোনো বোম্ব শেল্টার নেই।
রয়টার্স লিখেছে, অধিকাংশ ফিলিস্তিনি পশ্চিম তীরের ইহুদি বসতি বা নিকটবর্তী ইসরায়েলি শহরের সাইরেন শুনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে সতর্ক হয়।
