তাইওয়ানে ধেয়ে যাচ্ছে টাইফুন ফুং-ওং, সরিয়ে নেওয়া হল ৩ সহস্রাধিক মানুষকে
এর আগে ফুং-ওং প্রবল শক্তি নিয়ে ফিলিপিন্সে আঘাত হেনেছিল। এতে সেখানে ১৮ জনের প্রাণহানি হয়।
ফিলিপিন্সে তাণ্ডব ঘটিয়ে তাইওয়ানে ধেয়ে যাচ্ছে টাইফুন ফুং-ওং। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার আগে দিয়ে তাইওয়ান স্থল সতর্কতা জারি করেছে এবং দ্বীপের পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকাগুলো থেকে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে।
টাইফুন ফুং-ওং দুর্বল হয়ে এলেও বিপুল বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাইওয়ানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের প্রধান বন্দরনগর কাউশিয়ুং–এর আশেপাশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে।
এর আগে ফুং-ওং প্রবল শক্তি নিয়ে ফিলিপিন্সে আঘাত হানে। এতে সেখানে ১৮ জনের প্রাণহানি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ফুং-ওং এবার তাইওয়ানের দক্ষিণ প্রান্ত অতিক্রম করে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করবে তাইতুং ও হুয়ালিয়েন উপকূল বরাবর-যেখানে জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে ফেইসবুকে এক বার্তায় জনগণকে সতর্ক করে বলেছেন, কেউ যেন পাহাড়, উপকূল বা অন্য কোনও বিপজ্জনক এলাকায় না যান।
গত সেপ্টেম্বরে এক ঘূর্ণিঝড়ে সৃষ্ট বন্যায় হুয়ালিয়েন প্রদেশে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই এলাকায়, বিশেষত গুয়াংফু শহরে, যেখানে ওই বন্যার ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছিল, সরকার ইতোমধ্যে মানুষজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
সরকারি হিসাবে, চারটি শহর ও জেলার ৩,৩৩৭ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঝড় আঘাত হানার আগে দিয়ে মঙ্গলবার হুয়ালিয়েন ও ইয়িলান প্রদেশে স্কুল ও সরকারি অফিসও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে ফুং-ওংয়ের সরাসরি প্রভাব পড়বে না উত্তরাঞ্চলের হসিনচু শহরে, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতা টিএসএমসি–র কারখানা অবস্থিত।
