২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ কোটি বছর আগে এক বড় বামন ছায়াপথ মিল্কি ওয়ের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। একপর্যায়ে সেই বামন ছায়াপথ মিল্কি ওয়ের সঙ্গে বিলীন হয়ে যায়।
গ্রহটি এর তারার এমন এক ‘বাসযোগ্য অঞ্চলে’ অবস্থান করছে, যা খুব বেশি গরমও নয় আবার খুব বেশি ঠান্ডাও নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, যা তরল পানি ও প্রাণের বেঁচে থাকার জন্য আদর্শ।
ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র মহাকাশযান হিসেবে ২০১৫ সালে দূরবর্তী গ্রহ প্লুটোর বুক ছুঁয়ে গিয়েছিল নাসা’র এ সাহসী প্রোব ‘নিউ হরাইজনস’।
গ্রহটি এর আকারের তুলনায় সূর্যের অনেক বেশি কাছে অবস্থিত। একইসঙ্গে গ্রহ তৈরির প্রচলিত নিয়মগুলোর কোনোটিই বুধ মেনে চলে না।
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
ধূমকেতুটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি বছর আগে এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছিল যে সময় মহাবিশ্বের ওই অঞ্চলে তীব্র গতিতে তারা তৈরি হচ্ছিল।
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
মঙ্গল গ্রহের মহাকর্ষীয় শক্তি বা টানকে কাজে লাগিয়ে নিজের গতি বাড়াতে ও চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশ করতেই মহাকাশযানটির এই নিখুঁত পরিকল্পনা।