২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ধূমকেতুটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি বছর আগে এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছিল যে সময় মহাবিশ্বের ওই অঞ্চলে তীব্র গতিতে তারা তৈরি হচ্ছিল।
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
মঙ্গল গ্রহের মহাকর্ষীয় শক্তি বা টানকে কাজে লাগিয়ে নিজের গতি বাড়াতে ও চূড়ান্ত কক্ষপথে প্রবেশ করতেই মহাকাশযানটির এই নিখুঁত পরিকল্পনা।
গ্রহটি প্রাণহীন ও বায়ুমণ্ডলহীন এক জগত, যার উপরিভাগ অনেকটা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের মতো পাথুরে।
নেপচুনের ‘কাইপার বেল্ট’ নামে পরিচিত এক বড় অঞ্চলে এ বস্তুটির অবস্থান। এ বেল্ট প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের জন্মলগ্নে তৈরি হয়েছিল।
বর্তমানে পৃথিবী থেকে ২ হাজার ৫০০ কোটি কিলোমিটারেরও বেশি দূরে রয়েছে ভয়েজার ১, যা এখন মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী বস্তু।
জাপানি মহাকাশযানের আনা রিউগু গ্রহাণুর ধূলিকণায় মিলেছে প্রাণের মৌলিক উপাদান ডিএনএ’র সন্ধান, যা পাল্টে দিতে পারে প্রাণের আদি ইতিহাস।
চারটি গ্রহ নিয়ে গঠিত এ মণ্ডলটির দুটি পাথুরে ও দুটি গ্যাসীয় গ্রহ। এগুলো ছোট ও অনুজ্জ্বল লাল বামন তারাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।