২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ কোটি বছর আগে এক বড় বামন ছায়াপথ মিল্কি ওয়ের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। একপর্যায়ে সেই বামন ছায়াপথ মিল্কি ওয়ের সঙ্গে বিলীন হয়ে যায়।
ইতিহাসের প্রথম ও একমাত্র মহাকাশযান হিসেবে ২০১৫ সালে দূরবর্তী গ্রহ প্লুটোর বুক ছুঁয়ে গিয়েছিল নাসা’র এ সাহসী প্রোব ‘নিউ হরাইজনস’।
গ্রহটি এর আকারের তুলনায় সূর্যের অনেক বেশি কাছে অবস্থিত। একইসঙ্গে গ্রহ তৈরির প্রচলিত নিয়মগুলোর কোনোটিই বুধ মেনে চলে না।
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
আট বছর ধরে সূর্যকে নিয়ে গবেষণা করে আসছে পার্কার সোলার প্রোব এবং ধীরে ধীরে তা সূর্যের পৃষ্ঠের আরও কাছাকাছি এগিয়ে যাচ্ছে।
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।
সূর্যের এ কাঠামোগত পরিবর্তনের ফলে মহাকাশের আবহাওয়ায় বড় প্রভাব পড়তে পারে। ফলে সূর্যের ভেতরে ঠিক কী ঘটছে তা বুঝতে জরুরি ভিত্তিতে আরও গবেষণার প্রয়োজন।
মস্তিষ্কের বিভিন্ন নিউরন উদ্দীপিত হচ্ছে, সিন্যাপসের মধ্য দিয়ে সংকেতগুলো ছুটে চলেছে, আর তখনই মানুষ এ পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ অনুভব করতে পারছেন।