২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
শরীরের ৯৫ শতাংশ পোড়ার ক্ষত নিয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল শিশুটি।
‘‘যেসব নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের নাম আহত ও নিহতদের প্রকাশিত তালিকায় নেই, তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে যেন তারা মালিবাগে সিআইডির কার্যালয়ে গিয়ে ডিএনএ নমুনা প্রদান করেন।’’
মৃতদের ২৫ জনই শিশু, একজন পাইলট ও একজন শিক্ষিকা।
গত ৬ মার্চ মাগুরায় ধর্ষণের ঘটনায় ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় মারা যায় সেই শিশুটি। দায়ের করা হয় মামলা। ২ মাস ১১ দিনের মাথায় রায় দিল আদালত। একনজরে সেই ঘটনার শুরু থেকে শেষ।
"সিএমএইচের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের পর্ষদ সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে শিশুটির জীবন রক্ষায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।”
“সিএমএইচের চিকিৎসকরা প্রাণান্ত চেষ্টা করছেন,” বলেন প্রেস সচিব।
শিশুটির গলার সামনের দিকে গভীর ক্ষত ও শরীরের অন্যান্য ‘স্পর্শকাতর’ স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
“চিন্তা করবেন না, আমরা আছি, দেশের মানুষ আপনাদের পাশে আছে,” শিশুটির মাকে বলেন তারেক রহমান।